The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

একটি মুরগির দাম এক লক্ষ ৮০ হাজার টাকা!

এই বিশেষ মুরগিকে বলা হয় ড্রাগন মুরগি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ একটি মুরগির দাম কী কখনও এতো বেশি হতে পারে? তবে আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি। ভিয়েতনামের এক বিশেষ প্রজাতির মুরগি ‘ডং তাও’ চিকেন বা ড্রাগন চিকেন যার দাম এক লক্ষ ৮০ হাজার টাকা!

একটি মুরগির দাম এক লক্ষ ৮০ হাজার টাকা! 1

এই মুরগি আসলে কোনো সাধারণ মুরগি নয়। মাংস ও চেহারা এই দুইয়ের আনকোরা মিশেলে যেকোনো মুরগি হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন এই ড্রাগন চিকেন। একটি ড্রাগন মুরগিকে প্রস্তুত করতে যেয়ে বছর পার হয়ে যায়। পা ধুয়ে বড় করতে হয় এমন মুরগির জাতকে!

বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, এই মোটামতো দেখতে মুরগিগুলোর একেকটি ২ হাজার ডলারেরও বেশি মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে, যা বাংলাদেশী টাকায় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা! ভিয়েতনামের হ্যানয়ের নির্দিষ্ট কিছু গ্রামেই ডং তাও মুরগির খোঁজ পাওয়া যাবে। যারা এই বিশেষ মুরগির ফার্ম করেন তাদের বেশিভাগ পরিবারসূত্রেই এই ফার্ম গড়ে তুলেছেন। এই ধরুন যেমন- জিয়াং তুয়াং ভু। তিনি পৈতৃক সূত্রেই এই মুরগির ফার্ম গড়ে তুলেছেন। প্রায় ২০ বছর ধরে এই মুরগিগুলোর দেখভাল করছেন জিয়াং তুয়াং ভু।

এই মুরগি সম্পর্কে জিয়াং তুয়াং ভু বলেন, আমি খুব ছোট বয়স হতেই এই মুরগি পালনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। আমি ড্রাগন মুরগির ফার্মে কাজ করতে পেরে সত্যিই নিজেকে অন্যদের চাইতে ভাগ্যবান বলে মনে করি। ভাগ্যবান মনে করার একটা কারণ হলো আমার বাবা ও মায়ের বংশে অনেক আগে থেকেই ডং তাও মুরগির ফার্ম করা হয়েছিলো এবং এই খাতে তারা অনেক জনপ্রিয়তাও পেয়েছিলেন।

ফার্মের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি ফার্মটাকে আরও বড় করার চেষ্টা করে আসছি। আগে একটা সময় ছিল যখন ডং তাও মুরগির সংখ্যা ছিল প্রায় ২ থেকে ৩ হাজারের মতো। তবে এই কম সংখ্যক মুরগির ভেতরেও স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় একমাত্র ভিয়েতনাম ছাড়া অন্য কোথাও এই মুরগি দেখা যেতো না।

ডং তাও মুরগির নামে গ্রামটিকে ডং তাও ভিলেজ নামেই ডাকা হয়ে থাকে। এই মুরগির বেশিভাগ ফার্মই এই গ্রামে অবস্থিত। তবে ড্রাগন মুরগির আদি নিবাস কোথায় তা এখনও সকলের অজানা। প্রায় ১শ’রও বেশি বছর ধরে এই অঞ্চলে ড্রাগন মুরগির চাষ করা হয়ে থাকে। মোটা ও শক্তিশালী পা থাকার কারণে ‘মোরগ লড়াই’ খেলাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে এই বিশেষ মুরগিগুলো।

তবে মারামারি কাটাকাটির বিষয়টি কথা বাদ দিলেও এই মুরগিগুলোর বিশেষ ধরনের আরেকটি যোগ্যতা হলো তাদের এই উপাদেয় মাংস। আগেকার দিনে মারামারির জন্য ব্যবহৃত হলেও এখন বেড়েছে এই মুরগির বিশেষ মাংসের কদরও। এর বিশেষ মাংসের জন্য ভিয়েতনামের বিশেষ উৎসবে (যেমন- নতুন বছর) খাওয়া হয়ে থাকে এই ড্রাগন মুরগি।

জিয়াং ডং তাও মু্রগির মাংস সম্পর্কে বলেন, এই মুরগির মাংস অন্যান্য মুরগির মাংসের চেয়েও তুলনামূলক কালচে। এটা অনেকটা গরুর মাংসের মতোই দেখতে। ভিয়েতনামের অন্য কোনো ধরণের মুরগির মাংসই এমন হয় না। প্রায় ৫০০ মুরগি থেকে ১৫টি মুরগি লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়।

কেনো এই মুরগির দাম এতো বেশি? এই প্রশ্নের উত্তরে জিয়াং বলেন, এই মুরগির মূল বৈশিষ্ট্যই থাকে এদের পায়ে ও শরীরে। আরও কিছু বিষয় রয়েছে যা অন্য কোনো মুরগির জন্য দরকারই হয় না। সেগুলো হলো নিয়মিত তাদের পা ধোয়া হয় ও পৃথক ডায়েট দেওয়া হয়। দিনের নির্দিষ্ট সময় এদের গায়ে সূর্যের স্নেহ অর্থাৎ রোদও লাগাতে হয়। সেরা ড্রাগন মুরগি অর্থাৎ এ গ্রেডের মুরগির মাংস লাল রঙের পা থাকে। পাগুলো অনেক বড় হয়ে থাকে এবং শারীরিকভাবেও নিজস্ব একটি ভঙ্গিমা থাকে এই ড্রাগন মুরগির।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...