The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

তৈরি করা হয়েছে সেতু অথচ রাস্তার কোনো খবর নেই!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমাদের দেশেই এটি সম্ভব। একটি জায়গায় তৈরি করা হয়েছে সেতু অথচ রাস্তার কোনো খবরই নেই! এও কী সম্ভব?

তৈরি করা হয়েছে সেতু অথচ রাস্তার কোনো খবর নেই! 1

সেতু তৈরি করা হয়েছে অথচ নেই কোনো সংযোগ রাস্তা। সেতুর দুই পাশের মাটি ভরাট না থাকায় কোনো কাজেই আসছে না সেতুটি। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বিষ্ণুপুর গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের খালেক মাস্টারের বাড়ির নিকটে ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৩ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু নির্মাণের পর হতে আজ অবধি সেতুর গোড়ায় মাটি না থাকায় অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে সেতুটি, অথচ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ কাজ না করেই প্রকল্পের অর্থ তুলে নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

প্রকাশিত এক খবরে দেখা যায়, উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর বিষ্ণুপুর খালেক মাস্টারের বাড়ির নিকটে ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৩ টাকা ব্যয়ে খালের ওপর নির্মিত হয়েছে একটি সেতু। অথচ ওই সেতুটি যেনো এখন মানুষের গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেহেতু সেতু ব্যবহার করতে পারছেন না গ্রামবাসী সেজন্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলাকেই দায়ী করেছেন তারা।

গত কয়েক বছরেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেতুর সংযোগ রাস্তার মাটি ভরাটের কাজ রহস্যজনক কারণেই শেষ না করায় সেতুর আশেপাশে জমে থাকছে পানি। এই পানি জমাট বেধে থাকায় স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের চলাচলে আরও বিঘ্ন ঘটছে। বন্যার সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নাজুক অবস্থায় উপনিত হয়, সেতু থাকতেও নৌকা বা ভিজে পার হতে হয় হাজার হাজার গ্রামবাসীকে। জনস্বার্থে সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়কের মাটির কাজ জরুরি ভিত্তিতে ভরাটের দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসী।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম একটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, সেতু যখন নির্মাণ হয় ওই সময় আমি এই উপজেলায় কর্মরত ছিলাম না, তাই বিস্তারিত বলতেও পারবো না। তবে নতুন বরাদ্দ এলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই সেতুর দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেছেন, সেতু রয়েছে তবে সংযোগের জন্য মাটি নেই এই বিষয়টি আমার আগে জানা ছিলো না। যততো দ্রুত সম্ভব আমি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করবো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...