The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি কয়েকটি সামরিক বিমান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সমর শক্তিতে পৃথিবীতে শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ও শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়। বিশ্বের সবচেয়ে দামি কয়েকটি সামরিক বিমান সম্পর্কে আজ জেনে নিন।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি কয়েকটি সামরিক বিমান 1

সমর শক্তিতে পৃথিবীতে শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ও শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়। বিশ্বের সবচেয়ে দামি কয়েকটি সামরিক বিমান সম্পর্কে আজ জেনে নিন।

সামরিক শক্তিতে কেও কাওকেই যেনো পরোয়া করেন না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয় এই দেশ দুটি সামরিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য একের পর এক যুদ্ধ যান তৈরি করে যাচ্ছে। বিশেষ করে উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে রাশিয়ার চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে মার্কিন ‍যুক্তরাষ্ট্র। জেনে নিন কয়েকটি সামরিক ব্যয়বহুল বিমান সম্পর্কে।

এফ/এ-১৮ হর্নেট

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারফোর্সের নাম্বার ওয়ান আক্রমণাত্মক যুদ্ধবিমান। ৯৪০ লক্ষ ডলার দামের এই যুদ্ধবিমানটি সার্ভিস শুরু করে ১৯৮০ সালে। গ্রাউন্ড ও এরিয়াল উভয় টার্গেটে অ্যাটাক করতে সক্ষম এটি। বর্তমানে এটি ইউএস এয়ারফোর্স ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, কুয়েত, ফিনল্যান্ড, মালয়েশিয়া, স্পেন ও সুইজারল্যান্ডের সামরিক ভাণ্ডারে মার্কিন পারিতোষিক হিসাবে জায়গা করে নিয়েছে।

ইএ-এইট্টিন জি গ্রাউলার

মূলত এফ/এ-১৮ হর্নেট ফাইটারের একটি হালকা অস্ত্রসজ্জিত সংস্করণ এটি। এর মূল্য ১০২০ লক্ষ ডলার। মূলত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের জন্যই এটি তৈরি করা হয়েছে (এটি মার্কিন নৌবহরে তা কাজ করছে)। এটি অ্যান্টি এয়ারক্রাফট রাডার অবজেক্ট খুঁজে বের করে ও শত্রুপক্ষের কমিউনিকেশন সিস্টেম নিজের পাঠানো সিগন্যালের মাধ্যমে পুরো জ্যাম করে দিতে সক্ষম।

বি টু স্পিরিট

বি টু স্পিরিট প্রকৃতপক্ষে একটি বোমারু বিমান। এর দাম ২৪০ কোটি ডলার। ২০টি বি টু স্পিরিট আমেরিকার সামরিক বাহিনীতে রয়েছে। ইনফ্রা-রেড, অ্যাকুইস্টেক ও ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক রেডার ভিসুয়াল সিগন্যালেও এখন পর্যন্ত শত্রু এলাকায় একে খুঁজে পাওয়া সম্ভবই হয়নি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর আফগানিস্তানে তালিবান এবং আল-কায়েদা দমন অভিযানে ও আমেরিকার ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের সময় সমান তালে বোমা ফেলা হয়েছিল এই বিমান থেকে।

এফ-টোয়েন্টি টু ব়্যাপটর (৩৫০০ লক্ষ ডলার)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী, বিশ্বের মধ্যে এই এফ-টোয়েন্টি টু ব়্যাপটর-ই সম্মুখসমরে সব চাইতে পারদর্শী এক বিমান। এর মানুফ্যাকচারিং ডিজাইনার আমেরিকার নামকরা (খ্যাতি-অখ্যাতি উভয়তই) মিলিটারি কর্পোরেট এর Lockheed Martin। শত্রুপক্ষের নিক্ষেপ করা ক্রুজ মিসাই উড়িয়ে দেওয়ার মতো অব্যর্থ লক্ষ্যভেদী সামর্থ্য ছাড়াও এই যুদ্ধবিমানে রয়েছে সুপারসনিক স্পিড।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...