The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

‘উইঘুরদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা গণহত্যার থেকেও ভয়াবহ’!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মুসলিমদের উপর অকত্য নির্যাতনের খবর বিভিন্ন সময় সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। এবার বলা হয়েছে, ‘উইঘুরদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা গণহত্যার থেকেও ভয়াবহ’!

‘উইঘুরদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা গণহত্যার থেকেও ভয়াবহ’! 1

ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও নিজের শেষ কর্মদিবসে এটিকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছিলেন। যদিও জো বাইডেন চলতি সপ্তাহে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রথম আলোচনায় এই শব্দটি ব্যবহার করেননি, তবে তার প্রশাসন বারবার করেছে।

শুধু শব্দের অর্থ দিয়েই বোঝালে সেটি ঠিক নয়। যেমন ‘হত্যাকাণ্ড’ অর্থ একজনকে হত্যা করা, ‘আত্মহত্যা’ মানে নিজেকে হত্যা করা, ঠিক তেমনি ‘গণহত্যা’ অর্থ হলো একটি জাতিকে হত্যা করা। চীনে উইঘুরদের ওপর অত্যাচারকে বলা যায প্রচণ্ড ভয়াবহ: এরা সম্ভবত ১০ লাখ মানুষকে কারাবন্দি করে রেখেছে, যাকে ভুলভাবে ‘পেশাগত প্রশিক্ষণকেন্দ্র’ উল্লেখ করা হয়ে থাকে। তারা উইঘুর নারীদের জোরপূর্বকভাবে বন্ধ্যা করছে। তবে তাদেরকে হত্যা করছে না।

এভাবেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিস্ট চীনের জিনজিয়াংয়ে সংখ্যালঘু উইঘুরদের বিষয়ে দেশটির সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনাও করেছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি “Genocide” is the wrong word for the horrors of Xinjiang শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই গণমাধ্যমটি।

গণহত্যার সংজ্ঞা মূলত জাতিসংঘের একটি ঘোষণার ওপরই নির্ভর করে, যাতে বলা হয়, এটি করার জন্য প্রকৃতপক্ষে সরাসরি প্রাণ সংহারের প্রয়োজনও নেই। কোনো জাতি কিংবা নৃতাত্ত্বিক, জাতিগত এবং ধর্মীয় গোষ্ঠীকে ধ্বংস করতে চাইলে ‘জন্ম প্রতিরোধের চেষ্টা’ কিংবা ‘গুরুতর শারীরিক কিংবা মানসিক ক্ষতি’ করার মতো ব্যবস্থাই যথেষ্ট বলে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে এটি কত বড় পরিসরে হলে গণহত্যা ধরা হবে সেটি উল্লেখ করা হয়নি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সব নারীকে পদ্ধতিগতভাবে বন্ধ্যা করার মাধ্যমে একটি গোটা জাতি ধ্বংসের কল্পনা করাও সম্ভব।

এ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘গণহত্যা’ লেবেলটি শুধু বিপুল সংখ্যক মানুষ হত্যার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছে ও এরমধ্যেও প্রায়ই তাদের দ্বিধায় ভুগতে দেখা যায়। আর তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রুয়ান্ডার গণহত্যাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে অভিহিত করেনি।

দ্য ইকোনমিস্টের মতে, চীন বৈশ্বিক রীতিনীতির জন্য হুমকি হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশীদার। এগুলোর মুখোমুখি হতে অস্বীকৃতি জানানো মানেই বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গোটা গ্রহকেই বিপন্ন করে তোলা। সে কারণে গণতন্ত্রগুলো যখনই চীনের বিষয়ে কাজ করতে যায়, তখনই অভূতপূর্ব ও নাজুক এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।

চীনের নিপীড়নের নিন্দা জানিয়ে বাইডেন অবশ্য ঠিক কাজটাই করেছেন, তবে এই বিষয়ে তার আরও সত্যবাদী হওয়া উচিত ছিলো। চীন মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে। ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ ছাড়াই ‘গণহত্যা’র অভিযোগ এনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শব্দটির অন্য কলঙ্ক কমিয়েও দিচ্ছে। গণহত্যা কোনো সরকারকে অগ্রহণযোগ্য একটি অবস্থানে নিয়ে যাওয়া দরকার। তবে, মার্কিন কর্মকর্তারা গণহত্যার ব্র্যান্ডিং করা শাসকদের সঙ্গে যদি ব্যবসা চালিয়েই যান, তাতে করে ভবিষ্যতের গণহত্যাকারীরা কেবলমাত্র উৎসাহিত হবে। এই বিপথ থেকে কেও ফেরার চেষ্টা করবে না।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...