The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বনবী (সা.) যে কারণে অভিশাপ দিতে নিষেধ করেছেন

এর কারণ হলো এমন একটি সময় রয়েছে যখন দোয়া, বদ-দোয়া কিংবা অভিশাপ; যা-ই করুন না কেনো, তা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা রাগে বা ক্ষোভে অনেক সময় কাওকে অভিশাপ দিয়ে থাকি। কিন্তু এই অভিশাপ দেওয়া মোটেও ঠিক নয়। বিশ্বনবী (সা.) নিজেই অভিশাপ দিতে নিষেধ করেছেন।

বিশ্বনবী (সা.) যে কারণে অভিশাপ দিতে নিষেধ করেছেন 1

মানুষ যখন কোনো সমস্যা পড়ে যান, তখন তা থেকে পরিত্রাণ লাভের জন্য আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করে থাকেন। আবার অনেক সময় দুঃখে পড়লে কিংবা রাগ ও ক্ষোভের সময় নিজের সন্তান-সন্তুতিসহ সম্পদ এবং মান-মর্যাদার ব্যাপারেও বদ-দোয়া (অভিশাপ) করে থাকেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিম উম্মাহকে এই বিষয়ে সতর্ক করেছেন, যেনো পরিবার-পরিজন ও সম্পদের বিষয়ে আল্লাহর কাছে বদ-দোয়া না করেন।

এর কারণ হলো এমন একটি সময় রয়েছে যখন দোয়া, বদ-দোয়া কিংবা অভিশাপ; যা-ই করুন না কেনো, তা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যায়। যে বিষয়টি প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে তা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনাও করেছেন।

হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা কখনও নিজেদের অভিশাপ দিও না।

তোমরা তোমাদের সন্তান-সন্ততিদের কখনও অভিশাপ দিও না; তোমরা তোমাদের চাকর-চাকরানিদের বদ-দোয়া করো না ও তোমরা তোমাদের ধন-সম্পদের প্রতিও বদ-দোয়া করো না। কেনোনা এমন একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে যখন দোয়া (বা বদ-দোয়া) করলে সেটি কবুল হয়ে যায়। কাজেই তোমার ওই বদ-দোয়া যেনো (দোয়া কবুলের) ওই মুহূর্তের সঙ্গে মিলে না যায়। (মুসলিম, আবু দাউদ)

সুতরাং আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব ধরনের অন্যায় কাজ হতে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন- আমিন। সুখে-দুঃখে সর্বাবস্থায় নিজের জন্য, নিজের পরিবার পরিজনের জন্য, সম্পদ এবং মান-মর্যাদাসহ অন্য যে কাওকে অভিশাপ কিংবা বদ-দোয়া (অভিশাপ) দেওয়া বা করা থেকে বিরত রাখতে হবে।

দুনিয়া এবং পরকালের জন্য ভালো ও কল্যাণমূলক কাজের জন্য শুকরিয়া আদায় এবং দোয়া করার জন্য মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে তাওফিক দান করুন- আমিন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...