The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ঘুরে আসুন মুন্সীগঞ্জের রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আপনি ঘরে থাকতে থাকতে এক ঘেয়েমি হয়ে পড়েছেন। তাহলে একটু বেড়িয়ে আসতে পারে। ঘুরে আসুন মুন্সীগঞ্জের রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ি।

ঘুরে আসুন মুন্সীগঞ্জের রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ি 1

মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার শেখের নগর গ্রামে প্রায় দুইশত বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ি অবস্থিত। ইছামতি নদীর একেবারে কুল ঘেঁষা শেখেরনগর রায়বাহাদুর ইনস্টিটিউশনে কাছে ছায়া সুনিবির গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ি। যেনো ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের বিভিন্ন অজানা কথা জানান দিয়ে আসছে।

রায়ের বাড়ির দ্বিতল দালান ঘরের বর্গাকৃতির নকশার দৈর্ঘ্য হলো ৪০ ফুট ও প্রস্থ ২০ ফুট। দ্বিতল ভবনের উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ পাশে ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রস্থের একতলা বিশিষ্ট আরও ৩টি ভবনও রয়েছে। রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ির পূর্ব এবং দক্ষিণ দিকে রয়েছে দুটি শানবাধানো পুকুর।

দানশীল এবং মুন্সীগঞ্জের অন্যতম ধণাঢ্য শ্রীনাথ রায়কে ব্রিটিশ শাসকরা ‘রাজা’ ও ‘রায় বাহাদুর’ উপাধীতে ভূষিত করেন। ১৩২২ বঙ্গাব্দের ২১ শ্রাবণ বাংলার প্রথম গভর্নর লর্ড কারমাইকেল একটি দাতব্য চিকিৎসালয় উদ্বোধনের জন্য রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়িতে আগমনও করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় রাজা শ্রীনাথ রায়ের পরিবারের সকল সদস্যগণ কোলকাতা চলে যান।

সড়ক পথে ঢাকা থেকে মুন্সিগঞ্জের দূরত্ব মাত্র ২৩ কিলোমিটার। ঢাকার গুলিস্থান, আবদুল্লাপুর কিংবা মিরপুর হতে মাওয়াগামী বাসে চড়ে মুন্সিগঞ্জে যাওয়া যায়। চাইলে নৌপথেও মুন্সিগঞ্জ যাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে ঢাকার সদর ঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে মুন্সিগঞ্জগামী লঞ্চে চড়ে বসতে হবে। মুন্সীগঞ্জ জেলা সদর থেকে বাসে সিরাজদিখান উপজেলায় এসে সেখান থেকে রিকশা যোগে রায় বাহাদুর শ্রীনাথ রায়ের বাড়ি যাওয়া যাবে।

মুন্সিগঞ্জের দর্শনীয় অন্যান্য স্থানের মধ্যে রয়েছে জগদীশ চন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর, ভাগ্যকুল জমিদার বাড়ী এবং মাওয়া ফেরি ঘাট ও নির্মিতব্য পদ্মা সেতু প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: https://vromonguide.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...