The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভারতীয় যুবক চমক দেখালেন লাখ টাকা কেজির সবজি চাষ করে!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার সত্যিই চমকে দিলেন ভারতের বিহারের এক যুবক কৃষক। তিনি এমন এক সবজি উৎপাদন করেছেন, যা দেশটিতে এতোদিন পাওয়াই যেতো না।

ভারতীয় যুবক চমক দেখালেন লাখ টাকা কেজির সবজি চাষ করে! 1

তবে সেটিও বড় কথা নয়। সবচেয়ে বড় চমক হলো এই সবজির দাম। প্রতি কেজি সবজির দাম ৮৫ হাজার রুপি, বাংলাদেশী মূদ্রায় যার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় এক লক্ষ টাকা! এমন এক সবজি উৎপাদন করে কৃষকদের সামনে নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক ভারতীয় যুবক অমরেশ সিং।

কোলকাতার সংবাদপত্র সংবাদ প্রতিদিন জানিয়েছে, বিহারের করমডিহ গ্রামের বাসিন্দা হলেন এই যুবক অমরেশ সিং। ৩৮ বছরের ওই যুবক প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন এই বিশেষ সবজিটির উৎপাদনের জন্য। ‘হিপ শুটস’ নামে এই সবজিটি আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি হয় ৮৫ হাজার রুপি প্রতি কেজিতে। সেই সবজিই নিজের ৫ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন অমরেশ সিং। কোনও রাসায়নিক বা কৃত্রিম সার প্রয়োগ করেননি অমরেশ সিং।

অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবেই এই সবজির চাষ করেছিলেন অমরেশ। তাতে তিনি বহুলাংশেই সফল হয়েছেন। যে বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, তারমধ্যে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রেই পেয়েছেন সাফল্য। পরিশ্রম এবং অর্থ খরচ করে এই নতুন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে গিয়ে সাফল্য পেয়ে অত্যন্ত খুশি অমরেশ সিং।

অমরেশ শিং এর এই প্রয়াস কৃষকদের সামনে নতুন এক দিগন্ত খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সুপ্রিয়া সাহু নামে এক আইএএস অফিসার তাঁর টুইটারে অমরেশের সাফল্যের কথা লেখার পাশাপাশি দাবি করে বলেছেন, এটি ভারতীয় কৃষকদের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ও হতে পারে।

উল্লেখ্য, এই সবজি ‘হপ শুটস’-এর ফুলকে বলা হয়ে থাকে ‘হপ কোনস’। এই ফুল মূলত বিয়ার প্রস্তুত করতে কাজে লাগে। বাকি অংশ সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...