The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাংলা চলচ্চিত্রের বরেণ্য নায়িকা কবরীর প্রস্থান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ঢাকাই চলচ্চিত্রের বরেণ্য নায়িকা সারাহ বেগম কবরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজিউন)। কিংবদন্তী অভিনেত্রী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

বাংলা চলচ্চিত্রের বরেণ্য নায়িকা কবরীর প্রস্থান 1

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে বরেণ্য এই চিত্রনায়িকা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোক নেমেছে পুরো চলচ্চিত্রাঙ্গনসহ সব খানেই।

৭১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর তার ফুসফুসে মারাত্মক ক্ষতি হয়। গত ৫ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হন অভিনেত্রী। সেদিন রাতেই কুর্মিটোলা হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

হাসপালে ভর্তির পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে সেখানে আইসিও না থাকায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন এই অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাবেক সাংসদ কবরী।

১৯৬৪ সালে ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিষেক হয় সারাহ বেগম কবরীর। দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সবার প্রিয়মুখ কবরী অভিনয়ের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ছবির প্রযোজনা এবং পরিচালনা করেন। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী নারায়ণগঞ্জ হতে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন।

প্রয়াত এই চিত্রনায়িকার আলোচিত চলচ্চিত্রের মধ্যে ছিলো সারেং বৌ। যে ছবি সেই সময় দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলো।

কিংবদন্তী এই অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেছেন, ‘কবরী ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার এই মৃত্যু দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলা চলচ্চিত্রের বিকাশে তার অবদান মানুষ আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অভিনেত্রী, নির্মাতা ও সাবেক এমপির মৃত্যুতে গভীর শোক এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...