The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিপর্যস্ত এই করোনার মধ্যেও ভারতের কুম্ভমেলার শেষ শাহী স্নানে মানুষের ঢল!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনার ভয়াল থাবায় পুরো ভারত বিপর্যস্ত। এর মধ্যেও ভারতে কুম্ভমেলার শেষ শাহী স্নানে ২৫ হাজারের বেশি পুণ্যার্থী ও এক হাজার ৩৫০ জন সাধু-সন্তের জমায়েত ঘটেছে!

বিপর্যস্ত এই করোনার মধ্যেও ভারতের কুম্ভমেলার শেষ শাহী স্নানে মানুষের ঢল! 1

২৭ এপ্রিল মেলা শেষ হওয়ার তিন দিন আগে এই শেষ শাহী স্নান অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাতে অংশ নিতে ঢল নামে মানুষের। হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাটের ব্রহ্মকুণ্ডে গঙ্গায় ডুব দেন পুণ্যার্থীরা। মোট পুণ্যার্থীর এক শতাংশ এদিন শাহী স্নানে অংশ নিয়েছেন। ভারতের কিছু পুলিশ কর্মকর্তাও শাহী স্নানে অংশ গ্রহণ করেন। তাদের দাবি হলো, এটি প্রতীকী ছিল।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, শাহী স্নানের কয়েক ঘণ্টা পর হরিদ্বার জেলা প্রশাসন সন্ধে থেকে করোনা কার্ফ্যু জারি করেন। আগামী ৩ মে সকাল পর্যন্ত চলবে এই কার্ফ্যু। কয়েকদিন আগে দেশে কোভিডের বাড়বাড়ন্তের জেরে তুমুল সমালোচনার ঝড় ওঠে এই কুম্ভমেলা নিয়েই। বিতর্কের কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বার্তা দেন, সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে এবার প্রতীকী কুম্ভমেলা উদযাপন করুন। সাধু-সন্তদের জুনা আখড়া তা মেনেও নেন। তবে ওই দিনের (২৭ এপ্রিল) চিত্র দেখে তা মনে হয় নি।

কুম্ভমেলার আইজি সঞ্জয় গুঞ্জাল ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর আবেদনের পর ও মুখ্যমন্ত্রীর বারবার তদারকির পর সাধুদের আখড়াগুলি এদিন ভিড় কম রাখার চেষ্টা করে। গত তিন দিন ধরে আখড়াগুলির সঙ্গে বৈঠক হয় জমায়েত নিয়ে। তারা শারীরিক দুরত্বও বজায় রেখেছিলেন। এমনকী নাগা সন্ন্যাসীরাও মাস্ক পরেন।

কিছু পুলিশ আধিকারিকও শাহীতে স্নানে অংশ নেন। তাদের দাবি, এটি ছিলো প্রতীকী। গত ১১ মার্চ প্রথম শাহী স্নানের সময় মেলায় ৩২ লক্ষ পুণ্যার্থীর ভিড় হয়। ২৭ মার্চ দ্বিতীয় শাহী স্নানের সময়ও একই সংখ্যক ভিড় দেখা যায়। তৃতীয় শাহী স্নানের সময় ১৪ এপ্রিল সেই ভিড় অবশ্য অর্ধেক কমে গিয়েছিলো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...