The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বে শ্রবণ সমস্যার ঝুঁকিতে পড়বেন প্রতি চারজনে একজন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রতি চারজনে একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি এই বিষয়ে সতর্ক করে এর প্রতিরোধ এবং চিকিৎসায় অতিরিক্ত বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্বে শ্রবণ সমস্যার ঝুঁকিতে পড়বেন প্রতি চারজনে একজন 1

প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী শ্রবণ সংক্রান্ত এই প্রতিবেদনে সমস্যার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সংক্রমণ, রোগ, জন্মগত ক্রুটি, অতিরিক্ত শব্দ এবং জীবনধারাকে চিহ্নিত করা হয়। তবে এসব সসম্যার অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।

রিপোর্টে পদক্ষেপ গ্রহণ বাবদ একটি প্যাকেজ প্রস্তাবও করা হয়েছে। এতে প্রতি বছর মাথাপিছু ১.৩৩ মার্কিন ডলার ব্যয় ধরা হয়।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতি পাঁচজনে একজনের শ্রবণ সমস্যা রয়েছে। তবে এই সংখ্যা আগামী তিন দশকে ১.৫ গুণ বেড়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

২০১৯ সালে বিশ্বে ১শ’ ৬০ কোটি লোকের শ্রবণ সমস্যা ছিল। এই সংখ্যা বেড়ে গিয়ে আড়াইশ কোটি হতে পারে।

রিপোর্টে শ্রবণ সমস্যার বড়ো ধরণের কারণ হিসেবে চিকিৎসার অভাবকেই দায়ী করা হয়। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ঘাটতিও রয়েছে।

শ্রবণ সমস্যায় ভোগা প্রায় ৮০ শতাংশ লোক এসব দেশেই বসবাস করেন। তারা তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তাও পান না। এমনকি উন্নত দেশে তুলনামূলকভাবে ভালো সুযোগ সুবিধা থাকলেও চিকিৎসায় সুষম বিন্যাস নেই। শিশুদের শ্রবণ সমস্যার ৬০ শতাংশই নিরাময়যোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন যে, শ্রবণ সমস্যা মোকাবেলায় সম্মিলিত ব্যর্থতার কারণেই প্রতি বছর এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...