The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গুগলে ফ্রি ছবি রাখার দিন শেষ হচ্ছে ১ জুন

google photo backup

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আর মাত্র কয়েকদিন, আগামী ১ জুন হতে গুগল ফটোজে আপলোড করা যে কোনো ছবি ব্যবহারকারীর জন্য বরাদ্দ ১৫ গিগাবাইট স্টোরেজ হতে কাটা হবে। সেই সীমা পেরিয়ে গেলেই অর্থ পরিশোধ করে কিনতে হবে বাড়তি স্টোরেজ।

গুগলে ফ্রি ছবি রাখার দিন শেষ হচ্ছে ১ জুন 1

তবে এই নিয়ম নতুন করে আপলোড করা ছবি কিংবা ভিডিওর ক্ষেত্রে। ১ জুনের আগে ফটোজে আপলোড করা মিডিয়া ফাইল এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়বে না। অর্থাৎ আপনি চাইলেই চলতি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত গুগল ফটোজে ইচ্ছেমতো ছবি আপলোড করে রাখতে পারেন।

বর্তমানে গুগল ফটোজে যতো ইচ্ছা ততো ছবি আপলোড করার সুবিধা রয়েছে। তবে আপলোডের পর ছবি কিংবা ভিডিওর মূল ফাইল থেকে মান কিছুটা কমিয়ে দেওয়া হয়। মান অপরিবর্তিত রাখার অপশন নির্বাচন করলেই ওই ১৫ গিগাবাইট স্টোরেজ থেকে কাটা হয়। ১ জুন হতে আপলোড করা সব ফাইলই বরাদ্দকৃত স্টোরেজ হতেই কাটা হবে।

গুগলে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বিনামূল্যে ১৫ গিগাবাইট স্টোরেজ দেওয়া হয়। জিমেইলের ই-মেইল, গুগল ড্রাইভের ফাইল, ওয়ার্কস্পেসের ডকুমেন্ট ও ১ জুন থেকে ফটোজে রাখা ছবি এই স্টোরেজ থেকে কাটা হবে।

গুগলে আপনার জন্য বরাদ্দকৃত স্টোরেজ থেকে কী ধরনের ফাইলের জন্য কতোটুকু জায়গা খরচ করেছেন, তাও দেখে নিতে পারেন এই লিংক থেকে: photos.google.com/storage

কোটা ফুরিয়ে গেলে আপনাকে যা করতে হবে :

কম্পিউটারে প্রয়োজনীয় ফাইল নামিয়ে তার ব্যাকআপ নিতে পারেন। তারপর ফটোজ হতে সেগুলো মুছে ফেলে জায়গা খালি করে দিন। আবার গুগল ওয়ানের স্টোরেজও কিনতে পারেন। প্রতিমাসে ১৫০ টাকার বিনিময়ে ১০০ গিগাবাইট ও ২৫০ টাকার বিনিময়ে ২০০ গিগাবাইট স্টোরেজ পাবেন। ২ টেরাবাইট স্টোরেজের জন্য প্রতি মাসে খরচ করতে হবে ৮০০ টাকা।

আরেকটি বিষয় হলো, গুগলের বিদ্যমান পিক্সেল ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ১ জুনের পরও আগের মতোই নিজের অ্যাকাউন্টে ছবি কিংবা ভিডিও আপলোড করে যেতে পারবেন স্টোরেজের চিন্তা না করে। তবে সে ফাইল আপলোড করতে হবে পিক্সেল স্মার্টফোন হতেই। ভবিষ্যতে সে সুবিধাও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...