The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

‘মরে গেলেও দেশে ফিরবেন না তারা’!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ স্প্যানিশ ভূখণ্ডের সেউটা ছিটমহলে গত সোমবার একদিনেই প্রায় ৬ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করেন, যাদের অধিকাংশই ছিলো মরক্কোর নাগরিক। এইসব অধিবাসীদের বক্তব্য. ‘মরে গেলেও দেশে ফিরবেন না তারা’।

‘মরে গেলেও দেশে ফিরবেন না তারা’! 1

এর আগে ছিটমহলটিতে কখনেও একদিনে এতো অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। স্পেন-মরক্কোর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা সীমান্তে অভিবাসীদের ভিড় বেড়ে যাওয়ার একটি কারণও হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে বলা হয়, প্লাস্টিকের খালি পানির বোতলের সাহায্যে সাগরে ভেসে থেকে স্পেনের সেউটার তটে এসে পৌঁছায় মরক্কোর এক বালক। পানির বোতলের সহায়তায় তার ভেসে থাকার দৃশ্যটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে বর্তমানে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।

ছেলেটি সম্পর্কে সীমান্ত পুলিশকর্মী রাশিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘ছেলেটি ফিরে যেতে চাননি, কারণ, মরক্কোতে তার কোনো পরিবারই নেই। সে যদি শীতে মারাও যেতো, তাতেও তার কোনো আপত্তি ছিল না। ওই বালকটি মরে যেতেও প্রস্তুত ছিল, তবে মরক্কোতে ফিরে যেতে রাজি না। এতো অল্পবয়সি কারও মুখে আমি এমন কথা কখনও কোনো দিন শুনিনি।’’

কাঁদতে থাকা ওই ছেলেটিকে সীমান্ত পুলিশ দুই দেশের মাঝখানের জায়গায় নিয়ে যায়। তবে স্পেন হতে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ফেরত পাঠানো অবৈধ। তবে সেউটায় পৌঁছানোর পর ছেলেটি বর্তমানে কোথায়, তা জানে না দেশটির সীমান্ত পুলিশ।

এ সপ্তাহে মরক্কো কর্তৃপক্ষ সীমান্তবিধি শিথিল করার পর অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ভিড় বেড়ে যায়। প্রায় ৮ হাজার অভিবাসী এ পর্যন্ত সেউটায় এসে পৌঁছেছেন।

স্পেনের পুলিশসূত্রে একটি চিত্র বর্তমানে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি শিশুকে, যে শিশুটি এই সাগরপথে আসতে গিয়ে তার বাবা-মায়ের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। শিশুটিকে উদ্ধার করে সীমান্ত পুলিশ।

জানা যায়, স্পেনের সীমান্ত পুলিশকর্মী আল মেসাউই মরক্কোর প্রচলিত দারিজা আরবি ভাষা বলতে পারেন। তাই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথাও বলতে পারেন তিনি।

সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, ‘‘ওই ছেলেটির জন্য আপনি চাইলেও কিছু করতে পারবেন না। আমরা অভিবাসীদের বলে থাকি পরিবারকে না ছেড়ে দিতে। আমরা সব সময় তাদের বলি নিজের দেশে হাজার কষ্ট থাকলেও নিজের পরিবারের সঙ্গেই থাকতে।’’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...