The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

যে গ্রামের ছবি তুললেই হবে জরিমানা!

এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে আলেবুলা নদী

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এক আশ্চর্য গ্রাম বলা যায়। অর্থাৎ প্রকৃতির কোলে বেড়ে ওঠা এক গ্রাম। সবুজ-শ্যামল সেখানকার প্রকৃতি। তবে সবুজ-শ্যামল সেই গ্রামের ছবি তুললেই আপনাকে গুণতে হবে জরিমানা!

যে গ্রামের ছবি তুললেই হবে জরিমানা! 1

এই গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে আলেবুলা নদী। রয়েছে বিস্তীর্ণ পাহাড়ের সারি। ঝর্ণার ছিপছিপ শব্দ ভ্রমণ পিপাসুদের মুগ্ধ না করেই পারে না। দেখলে যে কারও চোখ ধাঁধিয়ে যাবে তাতে সন্দেহ নেই। মন চাইবে ফ্রেমবন্দি করে রাখতে। তবে গ্রামটিকে ছবি তোলা নিষিদ্ধ। শুধু নিষিদ্ধ তা নয়, জরিমানাও গুণতে হবে আপনাকে!

এই বিশেষ গ্রামটি সুইজারল্যান্ডের একটি ছোট্ট গ্রাম। যার নাম ব্র্যাভুয়াঁ। ৫৬ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত গ্রামটিতে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক পর্যটকদের সমাগম ঘটে।

এক তথ্যে জানা যায়, ২০১৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রামটির মোট জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৫৩০ জন। সৌন্দর্যের পসরা নিয়ে সাজানো এই গ্রামটিতে রয়েছে প্রাচীন রোমান সভ্যতার নিদর্শন হিসেবে একটি চার্চ। এখানকার ঘোড়দৌড়ের মাঠটি সুইজারল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবেও প্রসিদ্ধ। বোটিং এবং রিভার রাফটিংয়ের জন্য আলেবুলা নদী রয়েছে।

আর যারা পাহাড়ে হাইকিং করতে চান, তাদের জন্য আলেবুলা উপত্যকা অপার এক নৈসর্গিক দৃশ্য নিয়ে যেনো অপেক্ষা করছে। ১৯৪৫ সালে নির্মিত ‘কুরহাস বারগুন’ হল এই গ্রামের একমাত্র হোটেল, যা গ্রাম হতে বেশ খানিকটা দূরে অবস্থিত। তবে বর্তমানে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় গ্রামবাসীরা টাকার বিনিময়ে পর্যটকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও রেখেছেন।

আলেবুলা রেলওয়ে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায় ২০০৮ সালে। এই রেলওয়ের সঙ্গে রয়েছে একটি প্রাচীন জাদুঘর। এই জাদুঘরেই গ্রামটির ঐতিহ্যের নানা ইতিহাস সংরক্ষিত রয়েছে।

তবে সুইজারল্যান্ডের এই ছোট্ট গ্রামটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে চোখ ফেরানো দায়। যারা ওখানে একবার গেছেন, গ্রামটির সৌন্দর্যে প্রত্যেকেই সত্যিই অবাক হয়েছেন। তবে তাই বলে সেই স্মৃতিগুলো ছবির ফ্রেমে আটকে রাখবেন, অন্যদের সেসব দৃশ্য দেখিয়ে দুঃখ দেবেন, তা কিন্তু কখনই হবে না।

সেজন্যই গ্রামের পর্যটন দফতর গ্রামটিতে ছবি তোলা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। যদি এই নির্দেশ কোনো পর্যটক কখনও অমান্য করেন ও ছবি তোলার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন, তাহলেই তাকে ৫ ফ্রাঙ্ক জরিমানা গুণতে হবে!

ওই বিশেষ গ্রাম ব্র্যাভুয়াঁ পর্যটন অফিসের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, অপরকে দুঃখ দেওয়ার অধিকার কারও নেই। যাদের ওই গ্রামে যাওয়ার আর্থিক ক্ষমতা নেই কিংবা কোনো কারণে যেতে পারছেন না, সেইসব ব্যক্তি মানসিকভাবে ব্যথিত হবেন- সেটা কখনই ব্র্যাভুয়াঁবাসীর কাছে কাম্য নয়।

ব্র্যাভুয়াঁর মানুষগুলো বিশ্বের মানুষের সুখের বিষয়টাও সব সময়ই ভাবেন। তারা চান না যে, তাদের কারণে পৃথিবীর মানুষ কোনোরকম দুঃখ পান, তারা হৃদয়ে কষ্ট অনুভব করেন। এমনকি ব্র্যাভুয়াঁর পর্যটন ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতেও তাদের আপলোড করা সব ছবিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যাকে করে কেও গ্রামটির ছবি নিয়ে কোনো কথা বলতে না পারেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...