The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

শরীরে প্রোটিনের অভাব বোঝার উপায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। সময় মতো খেয়ে নিচ্ছেন। তবুও শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থেকেই যেতে পারে। কীভাবে বুঝবেন শরীরে প্রোটিনের সেই ঘাটতি?

শরীরে প্রোটিনের অভাব বোঝার উপায় 1

অনেক সময় সমস্ত রকমের চেষ্টা করেও, কাজের কাজ কিছুই হয় না। যদি এমন হয় যে, তাহলে বেশ চিন্তারই বিষয়। তাহলে আপনি বুঝবেন শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে?

যদি আপনি বার বার অসুস্থ হতে শুরু করেন, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে শরীরে প্রোটিনের অভাব রয়েছে। শরীরে প্রতিরোধক ক্ষমতা যদি কখনও কমে যায়, তাহলে প্রোটিনের অভাব রয়েছে বলেই ধরে নিতে হয়। যদি প্রতিদিন অত্যধিক পরিমাণে চুল পড়তে শুরু করে, তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে।

অল্পতেই যদি হাপিয়ে ওঠেন, তাহলেও শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে বলে আপনাকে বুঝতে হবে। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় যদি উপযুক্ত পরিমাণ প্রোটিন নাও থাকে, তাহলে দেখা যাবে যে, অল্প কাজেই আপনি হাপিয়ে উঠছেন।
খাবার পরেও যদি বার বার ক্ষুধা পেতে থাকেন, তাহলে শরীরে প্রোটিনের অভাব রয়েছে বলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে।

আপনি হয়তো প্রতিদিন বেশ টপাটপ করে মিষ্টি খেয়ে ফেলছেন, এমন যদি হয়ে থাকে, তাহলেও বুঝতে হবে আপনার শরীরে প্রোটিনের অভাব দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই বার বারই মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করছে আপনার।

আপনার শরীরের কোনো অংশে কেটে গেলে, যদি ক্ষত শুকোতে না চায়, সেক্ষেত্রে প্রোটিনের অভাব রয়েছে বলে মনে করতে হবে। তাই কোথাও কেটে গেলে যদি ক্ষত না শুকিয়ে আরও গভীর হতে থাকে, তাহলে আরও প্রোটিনযুক্ত খাবার আপনাকে খেতে হবে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা।

খাওয়ার পর যদি শরীরে আলসেমি বোধ হয়, তাহলেও একেবারেই ভালো লক্ষণ নয়। শরীরে যাতে প্রোটিনের অভাব না হয়, সেজন্য সকালে সঠিক খাবার খান। ব্রেড টোস্ট, ডিম, দই, বাদাম ও ফল দিয়েই ব্রেকফাস্ট শুরু করতে হবে। দিনের অন্যান্য সময় সঠিক পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...