The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

জেফ বেজোসের সঙ্গে মহাকাশ ভ্রমণের খরচ জানতে চান?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আপনি একবার মনে করুন, ১১ মিনিটের যাত্রায় আপনি মহাকাশে যাচ্চেণ। সেটিও বেশি দূরে নয়, ভূমি থেকে ১০০ কিলোমিটারের মতো কিছু ওপরে। এমন নভোযানের একটি আসনের জন্য আপনি কতো টাকা খরচ করতে রাজি?

জেফ বেজোসের সঙ্গে মহাকাশ ভ্রমণের খরচ জানতে চান? 1

আবার যদি এমন হয় সেই যাত্রায় সঙ্গে থাকবেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস! তাহলে কেমন হয়? গত শনিবার আয়োজিত নিলামে এমন একটি আসনের জন্য এক ব্যক্তি ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার খরচ করার জন্য রাজি হয়েছেন।

জেফ বেজোসের রকেট ইঞ্জিন তৈরির প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিন আগামী ২০ জুলাই মানুষ নিয়ে প্রথমবারের মতো মহাকাশ ভ্রমণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রথমবারের মতো সেই যাত্রায় অংশ নিচ্ছেন জেফ বেজোস স্বয়ং, সঙ্গে থাকছেন তারই ছোট ভাই মার্ক বেজোস।

সেইসঙ্গে নিউ শেপার্ড নামের নভোযানের একটি খালি আসনে যাত্রী নির্বাচনের জন্য গত মাসে নিলামেরও আয়োজন করা হয়। তিন পর্বের নিলাম শেষ হয়েছে গত শনিবার। আয়োজনটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয় অনলাইন মাধ্যমে।

সেই সময় ব্লু অরিজিনের বিক্রয় পরিচালক আরিয়েন কর্নেল বলেছেন, ১৫৯টি দেশ হতে ৭ হাজার ৬০০ মানুষ নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেন। এই নিলামটি পরিচালনা করে বোস্টনভিত্তিক আরআর অকশন। অবশ্য নিলামে বিজয়ীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

অ্যাপোলো ১১ অভিযানে চাঁদে মানুষের পদার্পণের ৫২তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামীমাসে অর্থাৎ ২০ জুলাই দক্ষিণ টেক্সাসের ব্লু অরিজিনের নিজস্ব রকেট উড্ডয়নকেন্দ্র হতে নিউ শেপার্ড উড্ডয়নের কথা রয়েছে।

জেফ বেজোস ২০০০ সালে ব্লু অরিজিন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ৬০ ফুট উঁচু নিউ শেপার্ড রকেট নিয়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা চালাচ্ছে। ২০১৫ সাল হতে মোট ১৫ বার পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন করলেও সেগুলোতে মানুষই ছিল না।

রকেট ইঞ্জিন তৈরি দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও ব্লু অরিজিনের মূল লক্ষ্যই হলো সাধারণ মানুষের কাছে মহাকাশ ভ্রমণের টিকিট বিক্রি করা। ভ্রমণে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের ভূমি হতে উড্ডয়ন করে ১০০ কিলোমিটার ওপরে কারমান লাইনের আশপাশ হতে ঘুরিয়ে আনা হবে। তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...