The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডায়াবেটিস রোগীর জুতা কেমন হওয়া উচিত?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে জুতা একটি গুরুত্বপূর্ণ। এই রোগের একটি জটিলতা হলো স্নায়ুর ব্যাধি কিংবা নিউরোপ্যাথি। এমন হলে পায়ের অনুভূতির শক্তিও লোপ পায়। ব্যথা-বেদনা, গরম-ঠাণ্ডা কিংবা স্পন্দন অনুভূতিও ভোঁতা হয়ে যেতে থাকে।

ডায়াবেটিস রোগীর জুতা কেমন হওয়া উচিত? 1

অনেক সময় তাদের পায়ের মাংসপেশির শক্তি ও ভারসাম্য কমে যায়। যে কারণে তারা ছোটখাটো খুঁতের শিকার হন। খুঁত থেকে হয় ক্ষত বা ঘা হতে পারে। এসব ঘা সহজে শুকাতেও চায় না। কারণ ডায়াবেটিসের জটিলতায় রোগীর তখন রক্তনালি বলা যায় একেবারে সরু হয়ে গেছে। রক্ত চলাচল কমে যায় পায়ে। চিনির মাত্রা বেশি থাকায় জীবাণুরও হয় পোয়াবারো। যে কারণে এক সময় এটি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এটি রূপ নেয় গ্যাংগ্রিনে। পচন ধরে পায়ের মাংসপেশিতে এমনকি হাড়েও। কখনও এই কারণে পা কেটে ফেলতে হয়। মারাত্মক এই পরিণতি থেকে রক্ষা পেতে পায়ের যত্ন করা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই ক্ষেত্রে ভালো জুতা নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডায়াবেটিস রোগীর জুতা হতে হবে আরামদায়ক। বেশি আঁটোসাঁটো কিংবা ঢিলা জুতা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর। জুতা কিনতে হবে বিকাল বেলায়। সকালে হাঁটতে হবে এবং বিকালে জুতা কিনতে হবে। গবেষণায় দেখা যায়, মানুষের পা বিকালে সামান্য বড় হয়ে যায়। সে জন্য বিকালের মাপে জুতা কিনতে হবে। জুতার ভেতর দিয়ে বাতাস ঢুকতে পারে- এমন জুতা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য খুবই ভালো। সেজন্যই চামড়া বা ক্যানভাস কাপড়ের জুতা কিনতে হবে। কোনো কারণে পা ফুলে গেলেও এসব জুতা পায়ের কোনো ক্ষতি করবে না। প্লাস্টিকের জুতা এসব রোগীর জন্য খুবই ক্ষতিকর।

জুতার সামনের দিক যেনো চাপা না হয়। বেশি চাপা হলে আঙুলের শীর্ষভাগে ক্ষতও হতে পারে। সরুমুখী জুতা আঙুলে ব্যথা বা কালশিটে দাগও সৃষ্টি করতে পারে। আবার আঙুলে বিকৃতিও ঘটাতে পারে। সামনের দিকে খোলামেলা জুতাও কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ। এতে আঙুলে আঘাতও লাগতে পারে। হাইহিলও ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই জুতা কেনার সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...