The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

৮০ গ্রামবাসীকে গিলে খাওয়া এক কুমিরের গল্প!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বছরের পর বছর ধরেই গ্রামবাসীর আতঙ্ক স্থানীয় জলাশয়ে বাস করা বিশাল আকৃতির একটি কুমির। ১৯৯১ হতে ২০০৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৮০ জনকে গিলে খেয়েছে এই কুমিরটি!

৮০ গ্রামবাসীকে গিলে খাওয়া এক কুমিরের গল্প! 1

ত্রাস ছড়ানো এবং জীবনের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা এই কুমিরকে সে কারণে জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়েদা প্রধান ‘ওসামা বিন লাদেনের’ নামে নাম রেখেছে গ্রামবাসী। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এই খবর দিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম মিরর।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘ ৭৫ বছরের জীবনকালের সময়টিতে বেশিরভাগ সময়ই রক্তপিপাসু এই কুমিরটি কাটিয়েছে উগান্ডার লেক ভিক্টোরিয়াতে। প্রায় ১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের কুমিরটি লেকপাড়ে পানি আনতে গেলে শিশুদের অকস্মাৎ টেনে নিয়ে যেতো। আবার মাছ ধরা নৌকায় আক্রমণ চালিয়ে বহু জেলের মৃত্যুর কারণ এই কুমিরটি। এক পর্যায়ে কুমিরটি নৌকায় লাফিয়ে উঠে জেলেদেরও টেনে নিয়ে যাওয়া শুরু করে দেয়।

কুমিরটির একটি শিকারে পরিণত হয়ে এক জেলের ছিন্নভিন্ন কাপড় লেকের পানিতে ভাসতে দেখা যায়। আরেকটি আক্রমণ প্রত্যক্ষ করেন পল কেউওয়ালেঙ্গা নামে এক ব্যক্তি। ওই আক্রমণে তিনি বেঁচে গেলেও তার ভাইকে টেনে নিয়ে যায় ওই কুমিরটি। পল কেউওয়ালেঙ্গা জানান যে, ঘটনার সময় তিনি ও তার ভাই পিটার নৌকায় মাছ ধরছিলেন। সেই ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন যে, ‘ওসামা পানি থেকে ভেসে উঠলো ও একেবারে নৌকার উপর লাফিয়ে পড়লো। নৌকার পেছন দিকে যেখানে আমি বসেছিলাম সেই অংশটি ডুবে গেলো।’

সাহায্য চেয়ে চিৎকার করলেও কুমিরটি পিটারের পা টেনে ধরে পানির ভিতরে টানতে থাকলো। পল জানান যে, প্রায় ৫ মিনিট ধস্তাধস্তির পর অবশেষে কুমিরটি তাকে পানির নিচে নিয়ে গেলো। কুমিরটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসী সাহায্য চাইতে থাকলো ২০০৫ সালে প্রায় ৫০ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও বন্যপ্রাণী কর্মকর্তার সাহায্যে এক সময় এই কুমিরটিকে আটক করা সম্ভব হলো। স্থানীয় কিছু বাসিন্দা কুমিরটিকে মেরে ফেলতে চাইলেও কর্মকর্তারা গ্রামবাসীকে বোঝাতে সক্ষম হলেন যে, এটিকে মারা যাবে না। এই কুমিরকে তারা আটকে রাখবেন, যাতে কারও কোনো ক্ষতি করতে না পারে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...