The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাড়ির দেয়াল এফ্লোরেসেন্স মুক্ত রাখতে এবার বার্জার নিয়ে এলো ‘মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ’

ব্যতিক্রমী প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ এই পণ্যটি লবণাক্ততার ফলে দেয়ালে জন্মানো এফ্লোরেসেন্স গঠন প্রতিরোধ করবে এবং বাড়ির দেয়ালকে রাখবে সুরক্ষিত ও সুন্দর

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দেশের শীর্ষস্থানীয় পেইন্ট সমাধানদাতা প্রতিষ্ঠান বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল), সম্প্রতি বাজারে নিয়ে এসেছে এক নতুন পণ্য ‘মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ’।

বাড়ির দেয়াল এফ্লোরেসেন্স মুক্ত রাখতে এবার বার্জার নিয়ে এলো ‘মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ’ 1

ব্যতিক্রমী প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ এই পণ্যটি লবণাক্ততার ফলে দেয়ালে জন্মানো এফ্লোরেসেন্স গঠন প্রতিরোধ করবে এবং বাড়ির দেয়ালকে রাখবে সুরক্ষিত ও সুন্দর। এফ্লোরেসেন্স হচ্ছে জমা হওয়া লবণের সাদা রঙের স্ফটিক। দেয়াল, মেঝে বা বিল্ডিংয়ের অন্য কোন পৃষ্ঠে পানির উপস্থিতি থাকলে সেখানে এফ্লোরেসেন্স জমতে পারে। এফ্লোরেসেন্স গঠন প্রতিরোধ বা প্রতিকারে নিখুঁত সমাধান মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ। পণ্যটি দেয়ালের স্তরের ভিতরে
প্রবেশ করে এবং লবণকে পৃষ্ঠে আসতে বাঁধা দেয়। এভাবে, এটি ত্রুটিযুক্ত উপরিপৃষ্ঠ রোধের নিশ্চয়তা দেয় এবং প্লাস্টার ও কোটিংকে করে তোলে আরও দীর্ঘস্থায়ী।

এই বিষয়ে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের সেলস ও মার্কেটিংয়ের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে, আর্দ্রতা এবং স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া একসাথে আমাদের বাড়ির জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াতে পারে। বৃষ্টিপাত, ঘনীভবন, শিশির, আর্দ্র পরিবেশ এবং সিমেন্ট ট্রাওয়েলিংয়ের সময় ব্যবহৃত অতিরিক্ত পানি এফ্লোরেসেন্স গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে। মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি দেয়ালে ব্যবহার করলে পানি জমে নোনা ধরা থেকে দেয়াল রক্ষা পায়। প্লাস্টারওয়ার্ক থেকে পুরানো ইটের দেয়াল, এটি যেকোন ধরনের স্তরের জন্য উপযুক্ত। স্যাঁতসেঁতে, অবাঞ্চিত এবং অস্বাস্থ্যকর দেয়াল নিয়ে যারা চিন্তায় আছেন, বিশেষত চলমান বৈশ্বিক মহামারিতে যখন স্বাস্থ্যকর ইন্টেরিয়রের
প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি, তাদের জন্য সল্ট ওয়াশ সহায়ক হতে পারে।’

রাসায়নিকভাবে সক্রিয় উপাদান না থাকায় মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ সার্ফেস প্রাইমার হিসেবে এফ্লোরেসেন্স প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। সিমেন্টের পৃষ্ঠের জন্য এটি একটি শক্তিশালী প্রাইমার/সিলার হিসেবে কাজ করে। নোনা ধরা থাকুক বা না থাকুক, সল্ট সেফ পুরানো ও নতুন উভয় দেয়ালে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে, মূলত দেয়ালের পৃষ্ঠে যখন সাদা খনিজ লবণগুলো দেখা যায়, এটি তখন ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়। পানিবাহিত এই পণ্যটি এফ্লোরেসেন্স রোধ করতে বা কাটিয়ে উঠতে লবণকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে পারে। তবে, স্যাঁতসেঁতে অবস্থা যখন বাড়তে থাকে, দেয়ালের স্তরে লবণ তখন আরও বেড়ে যেতে পারে। এই ধরনের প্রতিকুল পরিস্থিতে, মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ সন্তোষজনকভাবে কাজ নাও করতে পারে।

সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে পণ্যটি সঠিক নির্দেশনা অনুসারে প্রয়োগ করতে হবে। এফ্লোরেসেন্সের উপস্থিতি প্রাণঘাতী না হলেও, এটি অতিরিক্ত আর্দ্রতা নির্দেশ করে। তাই, ছত্রাক বৃদ্ধি বা চোখে না পড়া কাঠামোগত ক্ষতির মতো অপ্রীতিকর পরিস্থির সম্মুখীন না হতে চাইলে এই ধরনের অসঙ্গতিতে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। বার্জারের নতুন মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ এফ্লোরেসেন্স প্রতিরোধ করে এবং দেয়ালের ওপরের স্তরের সংযুক্তি ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত বাড়ির মালিকেরা মি. এক্সপার্ট সল্ট সেফ কিনতে অথবা এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে নিকটস্থ বার্জার শো-রুমে যেতে পারেন অথবা ০৮০০০-১২৩৪৫৬ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...