The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ঝাল মানুষকে স্লিম রাখতে সাহায্য করে!

আপনি কী খুব সহজেই স্লিম হতে চান?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা অনেকেই মনে করি ঝাল বিশেষ করে শুকনা মরিচের ঝাল খুবই ক্ষতিকর। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এর গুণাগুণের কথা। ঝাল মানুষকে স্লিম রাখতে সাহায্য করে!

ঝাল মানুষকে স্লিম রাখতে সাহায্য করে! 1

আপনি কী খুব সহজেই স্লিম হতে চান? তাহলে খাদ্যে রাখুন ঝাল আইটেম। ‘ক্যাপসিসিন’ নামক উপাদানের কারণে সাধারণত মরিচ অতিরিক্ত ঝাল হয়। এই একই উপাদান আপনার মেটাবলিজমের গতি বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে খুব সহজেই। এক গবেষণায় দেখা যায়, উচ্চ মাত্রায় চর্বিজাতীয় খাবারের অভ্যাস থাকার পরেও ক্যাপসিসিন খাওয়ানোর কারণে অতিরিক্ত ওজন বাড়ে না। এই তথ্য অতিরিক্ত ওজনদার মানুষের জন্য সত্যিই সুখবর বটে!

ইয়াওমিং ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, মোটাসোটা মানুষের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজে আসতে পারে এই ক্যাপসিসিন। এ ছাড়া ক্যাপসিসিনের প্রভাবে শরীর শক্তি ক্ষয় করে ও তৈরি করে থাকে তাপ। এর মাধ্যমে খারাপ ধরনের সাদা চর্বি রূপান্তরিত হয়ে ভালো ধরনের বাদামি চর্বিতে পরিণত হয়ে থাকে।

বিষেজ্ঞরা বলেছেন, খুব বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়া এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় না থাকার কারণে শরীর মেটাবলিজমের ভারসাম্য হারায় ও ওবেসিটি দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে মরিচ কিংবা ঝাল খাওয়াটা উপকারী হলেও এই বিষয়ে থাকতে হবে মনোযোগ। যদি ভেবে থাকেন এক প্লেট ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে অনেকগুলো মরিচ খেয়ে নিলেই তাহলে কাজ হয়ে যাবে, তা কিন্তু মোটেও নয়। বরং ওজন নিয়ন্ত্রণের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ক্যাপসিসিনের এই গুণটি। এই উদ্দেশ্যে গবেষকরা ক্যাপসিসিন থেকে একটি প্রাকৃতিক ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট তৈরি করার কথাও চিন্তা-ভাবনা করছেন।

ঝাল যে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণ হয় তা নয়, এই মশলাটি স্বাস্থ্যের আরও অনেক রকম উপকারে আসে। সাইনাস ও বন্ধ নাকের সমস্যা দূর করতে তো হামেশাই ঝাল খাওয়া হয়ে থাকে। আবার ব্যথা কমাতেও ঝাল উপকারী। কেও কেও ঝাল মোটেও সহ্য করতে পারেন না, আবার কারও কারও মরিচ ছাড়া একেবারে খাওয়াই চলে না। তবে সব কথার এক কথা হলো ঝাল আমাদের উপকারী বন্ধু তাই এটি সদব্যবহার করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...