The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ইঁদুরের পেটে গেলো ১২ বোতল মদ!

আসলেও কী ওইসব মদ ইঁদুরই সাবাড় করে নাকি মানুষ সাবাড় করে শেষ পর্যন্ত ইঁদুরের ওপর দোষ চাপায়? সেই প্রশ্ন রেখেছেন অনেকেই

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ইঁদুরও যে মদ্যপ হতে পারেন তা আগে কখনও আমরা শুনিনি। তবে এবার এমন একটি খবর নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। রীতিমতো ইঁদুরের পেটে গেলো ১২ বোতল মদ!

ইঁদুরের পেটে গেলো ১২ বোতল মদ! 1

মদ চুরি করে, মদ্যপ হয়েছে ইঁদুরের দল। দোকানের কর্মীদের চোখে ধুলো দিয়ে বন্ধ দোকানেই পার্টি করেছে তারা। এমন কথা শুনে হয়নি আপনি অবাক হচ্ছেন? তবে অবাক হলেও কোনও প্রলাপ নয় এটি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুতে। সরকারি মদের দোকান থেকে ১২টি বোতল ওয়াইন নিয়ে তা খেয়ে ফেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংবাদ সংস্থা ইন্ডিয়া ডটকম এমন তথ্যই দিয়েছে।

ওই সংবাদে জানা যায়, লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ ছিল ভারতের তামিলনাডু রাজ্যের নিলগ্রিস জেলার গুডালু শহরের কাদাম্পুঝা এলাকার ওই মদের দোকানটি। গত ৫ জুলাইয়ের ঘ্টনা। কর্মচারীরা দোকানটি খোলার পর দেখতে পান যে ১২টি ওয়াইনের বোতলের ছিপি খোলা আর সেগুলোতে ইঁদুরের ছোট ছোট ধারালো দাঁতের কামড়ের সুস্পষ্ট চিহ্নও রয়েছে। প্রতি বোতল ওয়াইনের দাম ছিল ১৫০০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ হাজার টাকার মদ গিলেছে ইঁদুররা!

তবে সরকারি মদ ইঁদুর পান করছে, এমন ঘটনা কিন্তু নতুন নয়। বিহারে মদ নিষিদ্ধ হওয়ার পর ২০১৭ সালে প্রায় ৯ লাখ লিটার মদ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। প্রমাণ হিসেবে সেই মদ থানায় ছাড়াও ঘর ভাড়া নিয়ে রাখতে হয়। তখনও তা ইঁদুরের পেটে গিয়েছিল ওইসব মদ। ইঁদুরের হাত থেকে প্রমাণ বাঁচিয়ে রাখতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

তারপর ২০১৮ সালেও পুলিশের বাজেয়াপ্ত মদ বরেলি থেকে ফাঁকা হয়ে যায়। তখনও পুলিশ জানিয়েছিল ১ হাজার লিটার মদ পান করে ফেলেছে ইঁদুরের দল! চলতি বছরের মার্চ মাসেও হরিয়ানা পুলিশের বাজেয়াপ্ত ২৯ হাজার লিটার মদ নাকি গিয়েছিল ওইসব ইঁদুরদের পেটে! আসলেও কী ওইসব মদ ইঁদুরই সাবাড় করে নাকি মানুষ সাবাড় করে শেষ পর্যন্ত ইঁদুরের ওপর দোষ চাপায়? সেই প্রশ্ন রেখেছেন অনেকেই।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...