The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এই গরমে প্রশান্তিতে ইনভার্টার এয়ার কন্ডিশনার

অত্যাধুনিক ফিচারসমৃদ্ধ স্যামসাং’র ইনভার্টার এসি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এই গরমে আপনি হয়তো হাসফাস অবস্থায় রয়েছেন। তবে চিন্তা নেই এবার স্যামসাং নিয়ে এলো ইনভার্টার এয়ার কন্ডিশনার। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এই এয়ার কন্ডিশনার এই গরমে প্রশান্তি এনে দেবে।

এই গরমে প্রশান্তিতে ইনভার্টার এয়ার কন্ডিশনার 1

‘সব পাখি ঘরে আসে’- কবি জীবনানন্দের কবিতার এ চরণটি মানুষের জন্যও যথার্থ। সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে সবাই ঘরে ফিরে যায়; ক্লান্তি আর অবসাদকে সরিয়ে রেখে কিছু সময়ের জন্য হলেও সবাই পরিবারের মানুষের সাথে সময় কাটাতে চায়। তবে, দিনশেষে এতটুকু শান্তি খুঁজেফেরা মানুষের জন্যও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় তীব্র গরম। গরমের দাবদাহে অসহ্য হয়ে উঠছে মানুষ; ঘরে ফিরে তাই কেউ আর সুন্দর সময় কাটানোর মত পরিস্থিতিতেও থাকেনা।

এ সমস্যা সমাধানে, ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে তীব্র গরম থেকে বাচিয়ে মানুষকে শান্তি দিতে পারে এয়ার কন্ডিশনার (এসি)। বর্তমানে আধুনিক পরিবারগুলোও নিজেদের ঘরেফেরা সময়টাকে আরামদায়ক করতে ঘরে এসি নিয়ে আসছেন। বিভিন্ন হোম- অ্যাপ্লায়েন্স প্রতিষ্ঠানগুলোও মানুষের প্রয়োজনমাফিক বিভিন্ন ধরণের এয়ার কন্ডিশনার বাজারে এনেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স কনজ্যুমার ব্র্যান্ড স্যামসাং’ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মানসম্মত এসি এনেছে বাজারে। আরামদায়ক ও সহজে ব্যবহার উপযোগী হওয়ায় ইদানিং মানুষের মাঝে ইনিভার্টার প্রযুক্তির এসিগুলোর চাহিদা বাড়ছে। ইতোমধ্যে, স্যামসাং’র ডিজিটাল ইনভার্টার এসিগুলোও ক্রেতাদের নজর কেড়েছে।

অত্যাধুনিক ফিচারসমৃদ্ধ স্যামসাং’র ইনভার্টার এ এসিগুলোতে রয়েছে ৮ পোল ডিজিটাল ইনভার্টার প্রযুক্তি; এটি প্রয়োজনমাফিক ঘরের আরামদায়ক তাপমাত্রা বজায় রাখে এবং বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে আনে। সাধারণ এসির কমপ্রেসর বারবার চালু-বন্ধ হয়, তাই অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। কিন্তু, এ এসির কমপ্রেসর সেন্সরের মাধ্যমে ঘরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে মোটর পুরোপুরি বন্ধ না করে মোটরের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে, এটি একইসাথে যেমন সাশ্রয়ী তেমনই পরিবেশবান্ধব।

ঘরে ফিরেই দ্রুত ঘর ঠাণ্ডা করতে এই এসিতে আছে ফাস্ট কুলিং মুড; যা সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটে ঘর ঠাণ্ডা করে। এর ২ স্তর বিশিষ্ট কুলিং মুড থাকায় প্রথমে এটি দ্রুত ঘরকে ঠাণ্ডা করে ফেলে, পরে প্রয়োজন অনুযায়ী ঘরের তাপমাত্রা নিশ্চিত করে আরায়মদায়ক পরিবেশ তৈরি করে। সাধারণ এসির তুলনায় এ এসি আরও ভালোভাবে পরিবেশের সাথে ঘরের তাপমাত্রাকে মানানসই করে নেয়।

এছাড়াও, ৮ পোল ডিজিটাল ইনভার্টার প্রযুক্তির ফলে এটি চলার সময় কম্পন ও শব্দ কমিয়ে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ দেয়। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অনেক সময় ইলেকট্রিক পণ্যগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবে, এ এসিগুলো নিয়ে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতেও দুশ্চিন্তা করতে হবে না। এতে রয়েছে ট্রিপল প্রটেক্টর প্লাস প্রযুক্তি ও অ্যান্টি-কর্রসিভ আবরন, ফলে স্ট্যাবলাইজার ছাড়াই এটি ওভারলোড প্রতিরোধ করতে পারবে এবং চরম তাপও সহ্য করতে পারবে। উন্নত ডুরাফিন কনডেন্সার ব্যবহৃত হওয়ায় এ এসিগুলো ৩৬ শতাংশের বেশি বেধ পর্যন্ত ক্ষয় প্রতিরোধী এবং কন্ডেনসারকে দ্রুত মরিচা পড়া থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি, প্রচণ্ড তাপমাত্রায়ও নির্বিঘ্নে কাজ করে।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে স্যামসাং এ চলছে জমজমাট ঈদ ক্যাম্পেইন- ‘বিগ অফার ঈদ জমবে
এবার’। ক্যাম্পেইনে ক্রেতারা উপভোগ করতে পারবেন ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক অফার। এছাড়াও, এসি এক্সচেঞ্জ অফারে থাকছে ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়ের বিশাল সুযোগ। দুর্দান্ত অফারের এ ক্যাম্পেইনটি চলবে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত।

ক্রেতাদের রুমের সাইজ ও বাজেট অনুযায়ী স্যামসাং’র ইনভার্টার এসিগুলো ১ টন, ১.৫ টন ও ২ টন- যা পাওয়া যাচ্ছে ৬৭,৯০০ থেকে ৯৮,৪০০ টাকার মধ্যে। সাথে আছে ১০ বছরের কমপ্রেসর ওয়্যারেন্টি, ১ বছর পার্টস ওয়্যারেন্টি ও ১ বছরের সার্ভিস ওয়্যারেন্টি। এছাড়াও, ফ্রি হোম ও অফিস ডেলিভারি এবং ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা তো থাকছেই।

ক্লান্ত দিনের শেষে পরিবারের সাথে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ হাতে একান্ত সময় কাটাতে এখন আর আমাদের গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে হবেনা। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অসাধারণ ডিজাইনের এসিগুলো আমাদের জীবনে দু-দণ্ড শান্তি এনে দিতে পারে। ঘরে ফেরা আনন্দঘন সময়গুলোকে আরো রঙিন করে তুলতে, স্যামসাং’র দুর্দান্ত ঈদ অফারের এ সুযোগে, আপনিও ঘরে নিয়ে আসতে পারেন আপনার পছন্দের এসি। খবর প্রেস বিজ্ঞপ্তির।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...