The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সাইবার নিরাপত্তার সূচকে বেশ উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশের। বিশ্বের ১৬০টি দেশের মধ্যে ২৭ ধাপ এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। অবস্থান ৩৮তম স্থানে।

সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ 1

গত বছরও সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৬৫তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাইবার নিরাপত্তা খাতে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ।

এস্তোনিয়াভিত্তিক ই-গভার্নেন্স অ্যাকাডেমি ফাউন্ডেশনের করা ‘ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স (এনসিএসআই)’ বা জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সূচক হতে উঠে এসেছে এইসব তথ্য। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল উন্নয়ন পরিস্থিতি বিশেষ করে সাইবার হামলা প্রতিরোধের প্রস্তুতি গ্রহণ, সাইবার ঘটনা, অপরাধ এবং বড় ধরনের সঙ্কট ব্যবস্থাপনায় তৎপরতা মূল্যায়ন করে ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স (এনসিএসআই) তৈরি করা হয়ে থাকে।

এনসিএসআই সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ৫৯.৭৪ স্কোর নিয়ে রয়েছে শীর্ষে। এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান হলো ৩৯তম। সূচকে শ্রীলংকা এবং পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ৬৯ এবং ৭০তম স্থানে।

এনসিএসআইয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সর্বশেষ সূচকে সারাবিশ্বে ৯৬.১০ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে গ্রিস। ৯২.২১ ও ৯০.৯১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে চেক রিপাবলিক ও এস্তোনিয়া। এছাড়াও এইক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ১৭তম; যুক্তরাজ্য রয়েছে ১৯তম স্থানে।

বিশ্বের প্রথম ২০টি দেশের মধ্যে এশিয়ার একমাত্র প্রতিনিধি হলো সিঙ্গাপুর, দেশটির অবস্থান হলো ১৬ নম্বর।

সাইবার নিরাপত্তা সূচকে দ্রুত অগ্রগতি সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের বিজিডি ই-গভ সার্ট প্রকল্পের পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ একটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা দিন দিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ধরনের স্বীকৃতি আমাদেরকে সাইবার হামলা প্রতিহত করতে উৎসাহিত করবে ও সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...