The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

প্রতিদিন সময় মতো খাবার খেলে কী লাভ হবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ খাওয়ার সময় কখনও অনিয়মিত করা যাবে না। কারণ হলো এতে যেমন পৌষ্টিকতন্ত্রের একাধিক সমস্যা দেখা যায়, ঠিক তেমনই দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে একাধিক দীর্ঘমেয়াদী রোগব্যাধি।

প্রতিদিন সময় মতো খাবার খেলে কী লাভ হবে 1

দৈনন্দিন কাজের চাপে সঠিক সময় খাওয়াওদাওয়া করার কথা মাথায় থাকে না অনেকের। যে কারণে পৌষ্টিকতন্ত্রের যেমন একাধিক সমস্যা দেখা দেয়, তেমনই দীর্ঘদিন ধরে এই অনিয়ম চলতে থাকলে শরীরে বাসা বাধে একাধিক দীর্ঘমেয়াদী রোগও। অথচ একটু সচেতন হয়ে সঠিক সময় খাওয়া-দাওয়া করার রয়েছে হাজার গুণ।

বিপাক হার: খাবারের সময় বিপাককে প্রভাবিত করে থাকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ভীষণ সক্রিয় থাকে দেহের বিপাক প্রক্রিয়া। যে কারণে সকালে দ্রুত নাস্তা খেলে বিপাক প্রক্রিয়াটি আরও ভালো হয়। তা ছাড়াও রাতে ঘুমের পর দীর্ঘ সময় খালি থাকে পেট। তাই সকালে বিপাকের জন্য জ্বালানি হিসেবে খাদ্যকণার প্রয়োজন মেটাতে পারলে চাঙ্গা হবে শরীর। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মৌল বিপাক কিংবা মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায় ও এই কারণেই রাত ৮টার মধ্যে নৈশভোজ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দুটি খাবারের মধ্যে রয়েছে আদর্শ ব্যবধান: যে কোনও খাবার পুরোপুরি হজম করতে মানুষের শরীর কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় নেয়। অর্থাৎ যে কোনও দুটি খাবারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ৪ ঘণ্টারও বেশি হতে হবে। এর চেয়ে কম ব্যবধানে খেলে অতিরিক্ত খাবারের দরুণ বদহজম ও এর চেয়ে বেশি ব্যবধানে খেলে অ্যাসিডিটিও হতে পারে।

সক্রিয়তা বজায় রাখা: কাজ করার জন্য প্রয়োজন শক্তি ও পর্যাপ্ত খাদ্যই আমাদের সেই প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দিয়ে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই সময় মতো না খেলে প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা অসম্ভবও হয়ে উঠতে পারে।

বডি সাইকেল: খাবার খাওয়ার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুমের বিষয়টি। সময় মতো না খেলে সময় মতো শুতে যাওয়াও অসম্ভব। দেহের স্বাভাবিক দৈনন্দিন কার্যপদ্ধতি বজায় রাখতে হলে জেগে থাকা এবং ঘুমের এই চক্রটিকে সঠিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

সময়সূচী নির্মাণ: শারীরিক উপাকারের বাইরেও প্রতিদিন একই সময় খাওয়ার অভ্যাস একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করতে সহায়তা করে থাকে। যে কারণে যারা অফিস বা বাড়ির কাজের মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করার অনবরত চেষ্টা করে যাচ্ছেন, একটি নির্দিষ্ট সময় খাওয়ার অভ্যাস তাদের অনেকটাই সহায়তা করবে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকার চেষ্টা করি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx