The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

রাজকীয় আয়োজনে সমাহিত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ

রানিকে খুঁজে ফিরবে তার প্রিয় ঘোড়া এবং কুকুরগুলো!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সমাহিত হলেন ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রাজকীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ও আড়ম্বর আয়োজনের মধ্যদিয়ে সমাহিত হলেন রানি। তবে তিনি চলে গেলেও রয়ে গেছে তার নানা স্মৃতিময় জীবনের নানা গল্প।

রাজকীয় আয়োজনে সমাহিত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ 1

রাজা তৃতীয় চার্লস, রাজপরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলের অভ্যন্তরে অবস্থিত রাজা ষষ্ঠ জর্জ মেমোরিয়াল চ্যাপেল সমাধিতেই রানিকে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সমাধিস্থ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১২ মিনিটে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি-কে বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজপরিবার। ‘রয়্যাল ফ্যামিলি’র ওয়েবসাইটেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

রানি এলিজাবেথের ঘোড়ার প্রতি মমত্ব

রানি এলিজাবেথ সাধারণত নিরাপত্তা বহর ছাড়া জনসম্মুখে যেতেন না। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন এক জায়গাতেই- সেটি হলো ঘোড়দোড় প্রতিযোগিতা। এই একটি জায়গাতেই তিনি যেনো মিশে যেতে চাইতেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। উল্লাসে মেতে উঠতেন রানি হিসেবে নয়, একজন সাধারণ মানুষের মতোই। ২০১৩ সালের ঘোড়া দৌড়ের গোল্ডকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলো রানির ঘোড়া ‘এসটিমেইট’- সেবার বিজয়ীও হয়েছিলো রানির ঘোড়াই। প্রতিযোগিতা চলাকালে তার ভেতরে ছিলো প্রবল উচ্ছ্বাস ও উত্তেজনা। রানি ঘোড়া বিজয়ী হওয়ার পর রানির উচ্ছ্বাস দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন মাঠের দর্শকরা।

ঘোড়ার প্রতি রানির এই দুর্বলতার শুরুটা হয়েছিলো সেই ছোটবেলাতেই। তার বয়স যখন ১৬ তখন তিনি প্রথম গিয়েছিলেন রেসিং ঘোড়ার আস্তাবলে। তার বাবা ষষ্ঠ জর্জ নিয়ে গিয়েছিলেন তাকে। রেসিং ঘোড়ার বিশেষ জাত ‘বিগ গেইম’ এবং ‘সান চ্যারিয়ট’ মুগ্ধ করে তাকে। সেবার সেই ঘোড়াগুলো কিছু কসরত প্রদর্শন করেছিলো তার সামনেই। তিনিও তখন খুশি হয়ে ঘোড়াগুলোর ঘাড়ে ও গলায় হাত বুলিয়ে আদর করে দিয়েছিলেন। কথিত রয়েছে যে, ঘোড়ার রেশমি পশমে হাত বুলিয়ে তার এতোই ভালো লেগেছিলো যে, তিনি নাকি সারাদিন হাত-ই ধোননি। রানি হিসেবে ১৯৫৩ সালে অভিষেকের পর নানা প্রতিযোগিতায় তার ঘোড়া জয়ী হয়। যদিও ঘোড়ার একক মালিক হিসেবে ঘোড়দোড়ে রানিকে সবচেয়ে বড় এক সাফল্য এনে দিয়েছিলো ‘এসটিমেইট’। মজার বিষয় হলো- রানির ঘোড়াগুলোর বেশিরভাগই জাতগুলো নিজের মতো পছন্দ করে নিতেন। রানির ঘোড়া প্রীতির জন্য সারা পৃথিবীর ঘোড়া প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীরা শোক প্রকাশ করেছে। রানি নেই তবে এখনও রয়ে গেছে রানির ঘোড়াগুলো। নিশ্চিত করে বলা যায়- আজীবন রানিকে খুঁজে ফিরবে তার প্রিয় ঘোড়াগুলো।

রানি এলিজাবেথের কুকুরগুলোর কী হবে?

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সুদীর্ঘ জীবনে তোলা বেশ কয়েকটি ছবিতেই ছোট পা ওয়ালা একটি কুকুরকে বসে থাকতে দেখা যায়। ৪টি কুকুর ছিল রানির অধিকাংশ সময়ের ‘বন্ধু’। রানির মৃত্যুর পর এখন তার পোষা প্রিয় কুকুরগুলোকে নেওয়া হবে নতুন কোনো ঠিকানায়। রানির কুকুরগুলোর মধ্যে ছিলো ‘মুইক’ এবং ‘স্যান্ডি’ নামে দুটি পেমব্রোক ওয়েলশ করগি। এছাড়াও অপেক্ষাকৃত বেশি বয়সের করগির শংকর ‘ক্যান্ডি’ আর রেশমি লোমবিশিষ্ট বড় কানের আদরের কুকুর হলো ‘লিসি’।

রাজপরিবারের বায়োগ্রফার ও ম্যাজেস্টি ম্যাগাজিনের সম্পাদক জো লিটল মনে করেন যে, কুকুরগুলোকে প্রিন্সেস অ্যান এবং প্রিন্স অ্যান্ড্রুর কাছে দত্তক দেওয়ার আগ পর্যন্ত প্রাসাদকর্মীদের তত্ত্বাবধানেই রাখা হবে। তার ধারণা মতে, আগে প্রিন্সেস অ্যানের নিজের করগি কুকুর ছিলো। ডিউক অব ইয়র্ক ও তার মেয়েদের কাছ থেকেই নতুন দুটি কুকুর এনেছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে যে, রানির কুকুরগুলোকে পৃথক করা হবে না। এলিজাবেথের কুকুর প্রেম নতুন কিছু নয়। শৈশবে বাবা ষষ্ঠ জর্জের কুকুর ‘ডুকি’কে নিয়েই ছিল তার মাতামাতি। ১৯৪৪ সালে অষ্টাদশ জন্মদিনে তিনি উপহার পান পেমব্রোক ওয়েলশ করগি কুকুরছানাটি, সেটির নাম দেওয়া হয়েছিলো সুসান। এই কুকুরটির প্রতি রানির এমনই মায়া ছিল যে, ১৯৪৭ সালে মধু চন্দ্রিমাতে যাওয়ার সময়ও সুসানকে ছাড়েননি রানি। রানির পোষা সেই প্রাণিটির নাকি মৃত্যু ঘটে ১৯৫৯ সালে। # বিবিসি এবং সিএনএন অবলম্বনে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকার চেষ্টা করি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx