The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

চট্টগ্রামে এভারকেয়ার হাসপাতাল উদ্বোধন করলো এভারকেয়ার গ্রুপ

উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে ২০২১ সালে চালু হওয়া ৪৭০ শয্যাবিশিষ্ট এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামে ২৭টি বিশেষ মেডিকেল ও সার্জিক্যাল সেবা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ গতকাল (১০ অক্টোবর) বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করলো এভারকেয়ার গ্রুপ।

চট্টগ্রামে এভারকেয়ার হাসপাতাল উদ্বোধন করলো এভারকেয়ার গ্রুপ 1

স্বাস্থ্য সেবাখাতের ইতিবাচক রূপান্তরে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে বিনিয়োগ করে থাকে এভারকেয়ার গ্রুপ। এর ধারাবাহিকতায়, গতকাল (১০ অক্টোবর) উদ্বোধন করা হাসপাতালটি চট্টগ্রামের সর্বপ্রথম মাল্টিস্পেশালিটি টারশিয়ারি কেয়ার হাসপাতাল।

২০২১ সালের এপ্রিল মাস হতে সেবাদান চালু এবং কার্যক্রম শুরু করলেও কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন বিলম্বিত হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কার্যক্রম পরিচালনা করেন টিপিজি গ্রোথের কো-ম্যানেজিং পার্টনার এবং এভারকেয়ার গ্রুপের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান ম্যাথু হোবার্ট; এভারকেয়ার হাসপাতাল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বব কুন্দানমাল ও এভারকেয়ার গ্রুপের গ্রুপ সিইও ম্যাসিমিলিয়ানো কোলেলা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি; গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি; সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম. জহিরুল আলম দোভাষ। এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য সম্মানিত অতিথিবৃন্দ।

এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম চালু হওয়ার গুরুত্ব প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, এমপি বলেন, “২০১৯ সালে আমরা যখন চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করি তখন জনগণের কাছে আমাদের প্রতিশ্রুতিই ছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা স্বপ্নের বাস্তবায়ন, আর এই লক্ষ্যে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করা। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মানুষের জন্য বিশ্বসেরা এবং গুণগতমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও উন্নত সেবা প্রদানে সক্ষম বৈশ্বিক হাসপাতাল চেইন এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামের কার্যমক্রমের উদ্বোধন আমাদের লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি বলেন, “কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির সময় স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক অভূতপূর্ব সঙ্কটের সৃষ্টি হয়। তবে বিশ্বজুড়ে আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সাফল্যের সাথে সে সময়ের প্রতিকূল পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটাতে সক্ষমও হই। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে এভারকেয়ার গ্রুপ। এভাবেই তারা এই দেশের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত
রেখেছে বলে আমি মনে করি। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই হাসপাতালটির উদ্বোধন বন্দরনগরী চট্টগ্রাম সহ চট্টগ্রাম বিভাগ এবং এর আশেপাশের এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করবে।”

এভারকেয়ার গ্রুপের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের চেয়ারম্যান এবং টিপিজি গ্রোথের কো-ম্যানেজিং পার্টনার ম্যাথু হোবার্ট দ্য রাইস ফান্ডের জন্য স্বাস্থ্য সেবাখাতে বিনিয়োগে নেতৃত্ব প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “উদীয়মান বাজারে রূপান্তরে লক্ষ্যে যে বিনিয়োগ করা হয়, তা কীভাবে উচ্চ মানসম্পন্ন সেবা প্রদান করতে পারে ও সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে পারে তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম। ২০২১ সালের এপ্রিল মাস থেকে চালু হওয়ার পর, হাসপাতালটি ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে মানুষের জন্য স্কোলিওসিস
কারেকশন সার্জারি ও চট্টগ্রামের প্রথম কম্প্রিহেনসিভ পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলোজি সেবাসহ নতুন ও জটিল রোগের চিকিৎসা সেবা নিয়ে এসেছে। আমরা গর্বিত যে, আমরা সেবার মান উন্নত করতে পেরে ও বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের নতুন অধ্যায় শুরু করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

অনুষ্ঠানে এভারকেয়ার গ্রুপের গ্রুপ সিইও ম্যাসিমিলিয়ানো কোলেলা বলেন, “দেশের বাইরে চিকিৎসা সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিকূলতা তৈরি হয়, নতুন চালু হওয়া এভারকেয়ার হাসপাতালের মানসম্পন্ন সেবার মাধ্যমে তা কমে আসবে বলে আমি মনে করি।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী পথরেখা তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য; একইসঙ্গে স্থানীয় প্রতিভা বিকাশে দেশব্যাপী চিকিৎসা সেবা খাতের অগ্রগতিতে সহায়তা করাও আমাদের লক্ষ্য, যাতে করে কমিউনিটির মানুষের স্বাস্থ্যসেবার চাহিদাপূরণে তারা স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত
দক্ষতা অর্জন করতে পারেন।”

এভারকেয়ার হাসপাতাল বাংলাদেশর চেয়ারম্যান বব কুন্দানমাল বলেন, “এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম একটি মাল্টি-স্পেশালিটি হাসপাতাল, যা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশ্বমানের মেডিকেল প্রফেশনাল দ্বারা পরিচালিত। আমাদের প্রত্যাশা এই হাসপাতাল চট্টগ্রামে ইতিবাচকভাবে সামাজিক পরিবর্তন ত্বরাণ্বিত করবে ও ভবিষ্যতে স্বাস্থ্য সেবাদানের ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ডও তৈরি করবে। চট্টগ্রামের প্রথম হাসপাতাল হিসেবে এটি মেডিকেল, সার্জিক্যাল ও রেডিয়েশন সহ ক্যান্সার চিকিৎসার সম্পূর্ণ এবং সর্বাধুনিক সেবা নিশ্চিত করবে।”

চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা পূরণে ৪৭০ শয্যাবিশিষ্ট এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামে রয়েছে- সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ২৪/৭ জরুরি বিভাগ, ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ), ২৭টি বিশেষ ও উপ-বিশেষ বিভাগ। শীর্ষস্থানীয় কনসালটেন্ট ও চিকিৎসক, সার্বক্ষণিক সেবা এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির বিশেষায়িত এই হাসপাতালটি এই অঞ্চলের মানুষের জন্য গুণগতমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে। হাসপাতালটিতে ২৪/৭ ইন্টারভেনশনাল
কার্ডিওলোজি অ্যান্ড কার্ডিয়াক সার্জারি সার্ভিস সহ কম্প্রিহেনসিভ হার্ট সেন্টার একটি মা ও শিশু সেন্টার, একটি নিউরোসায়েন্স সেন্টার, বোন অ্যান্ড জয়েন্টস সেন্টার এবং ডাইজেস্টিভ ডিজর্ডার সেন্টার সহ ১২টিরও বেশি উন্নত মানসম্পন্ন সেন্টার রয়েছে। এইসব উন্নত মানসম্পন্ন সেন্টারের প্রত্যেকটির মাধ্যমে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে।

চট্টগ্রামের অনন্যা আবাসিক এলাকায় মোট ৪ লাখ ৯২ হাজার বর্গফুট আয়তনের ওপর নির্মিত হয়েছে এই এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রাম। এই হাসপাতালটি বাংলাদেশের একমাত্র হাসপাতাল যা হচ্ছে ফ্ল্যাগশিপ ফ্যাসিলিটি- এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকার চেয়েও আয়তনে বড় এবং সক্ষমতা বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছে। খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকার চেষ্টা করি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx