The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ-৬

ঢাকা টাইমস ডেস্ক ॥ প্রতি সপ্তাহের মতো আজও আমরা বিশ্বের বিভিন্ন মজার মজার খবর আপনাদের সামনে তুলে ধরবো- আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ-৬ 1
পাখিদের গণআত্মহত্যা

আসামের হাফলং বরাইল পর্বতশ্রেণীর মধ্যে জাটিঙ্গা নামক গ্রামের শান্তস্বভাব পরিবেশ প্রতি রাতেই নষ্ট হয়ে যায়। এটা হয় আত্মহত্যার কারণে। তবে মানুষ নয়, ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এসে প্রায় প্রতি রাতে এ গণআত্মহত্যায় শামিল হয়। জাটিঙ্গা গ্রামটি আসামের কাছাড় জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা। বহু বছর ধরে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন এ ঘটনা দেখে আসছে। পাহাড়ের ঢালে সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় এ পাখির দল ঝাঁকে ঝাঁকে জাটিঙ্গা গ্রামে জড়ো হতে থাকে। কিছুক্ষণ পর হতেই তারা পাগলের মতো দিগ্বিদিক পূর্ণ গতিতে উড়তে থাকে। সামনের বাড়ি, গাছপালায় আর নিজেরা নিজেরা এলোপাতাড়ি বারি খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়তে থাকে আর মারা যায়। গ্রামের দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ ঘটনা ঘটে আসছে। তবে কবে থেকে এটা ঘটছে গ্রামবাসীরাও তা ঠিক করে বলতে পারবে না। এখন পর্যন্ত পাখিদের এ আত্মবিনাশের কারণ সঠিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে আসামের সুপরিচিত পাখি বিশারদ আনোয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এটা ঠিক আত্মহত্যা নয়। সত্যি ঘটনা হল, এসব পাখি আলোর প্রতি প্রচণ্ড আকৃষ্ট হয় এবং সেই আলোর উৎসের দিকে ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে যাওয়ার সময় সামনের দেয়াল, গাছ বা পাহাড়ের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা যায়।’ কিন্তু তার এ অভিমতে আত্মহত্যা রহস্যের সমাধান বেরিয়ে আসেনি। কারণ প্রশ্ন হচ্ছে পাখিরা কেনইবা সূর্য ডোবার পরে আলোর দিকে এমন গতিতে ছুটে যায়, আর আত্মহত্যাকারী এসব পাখির অধিকাংশই দিবাচর। তবে মজার বিষয় হল এত এত পাখির রহস্য ঘেরা নির্মম আত্মহত্যায় গ্রামবাসী মোটেও শোকসন্তপ্ত নয়। কারণ দেয়ালে, ভবনে, গাছে আছড়ে পড়া পাখি একটু জীবিত থাকলেই, গ্রামবাসী তা ধরেও রান্না করে খায়।

রিয়ো টিনটো খনি

পৃথিবীর সর্বাধিক ধাতু উত্তোলনকারী প্রাচীন খনি হল রিয়ো টিনটো খনি। এর স্থানীয় নাম কোরতা আতালায়া (Corta Atalaya)। তবে খনিটি The Rio Tinto mines (রিয়ো টিনটো খনি) নামে সারা বিশ্বে পরিচিত। খনিটির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া টিনটো নামক নদীর নামানুসারেই খনির নামকরণ। ৭৫০ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে আবিষ্কৃৃত এই ধাতুজ খনিটি স্পেনের দুটি শহর রাইয়ো টিনটো ও আন্দালুসিয়ার মাঝামাঝি সেভিলি শহরে অবস্থিত। এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় খনি এবং এক সময় পৃথিবীরও সবচেয়ে বড় খনি ছিল। এটি প্রায় ডিম্বাকার, ১,২০০ মিটার (৩,৯০০ ফুট) লম্বা ও ৯০০ মিটার (৩,০০০ ফুট) চওড়া এবং ৩৫০ মিটার (১১৫০ ফুট) গভীর। আবিষ্কারের প্রথম হতেই এর থেকে প্রাপ্ত রুপা, সোনা ও তামা গ্রিস ও রোমান সম্রাজ্যে সরবরাহ করা হতো। প্রায় ২ হাজার বছর বন্ধ থাকার পর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে এ খনিতে আবার খনিজ ধাতু উত্তোলন শুরু হয়। ১৭৮৩ থেকে ১৮১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত খনিটি স্পেনের রাজপরিবার পরিচালনা করত। ১৮৭১ সালে স্পেনের রাজা খনিটি বিক্রি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ১৮৭৩ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ডের ব্যবসায়ী হুগো ম্যাথিসনের নেতৃত্বে একটি ব্রিটিশ-ইউরোপিয়ান সিন্ডিকেট ৩৬,৮০,০০০ পাউন্ডের বিনিময়ে খনিটি কিনে নেয়। খনিটি কিনে নেয়ার পর কোম্পানির নাম রাখা হয় রিয়ো টিনটো। ১৮৭৭ সাল থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত এই খনি থেকে কোম্পানি উত্তোলন করে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি তামা সরবরাহ করে। তখন এতে ২,০০০ জনের বেশি শ্রমিক কাজ করত। তবে ১৯৯৪ সালে খনিটি বন্যায় প্লাবিত হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে এই রিয়ো টিনটো কোম্পানি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান, যার সদর দফতর লন্ডনে। তবে এখন খনির নতুন মালিক ইএ, ইডি টারটেসাস। তারা ২০১০ সালের শেষের দিকে খনিটি থেকে আবার ধাতু উত্তোলন শুরু করেছে।

ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের জাদুঘর

The Museum of Broken Relationships বা ভেঙে যাওয়া সম্পর্কের জাদুঘর। ক্রোয়েশিয়ান ভাষায় মুজেজ প্রেকিনুতিহ ভেজা (Muzej prekinutih veza)। ক্রোয়েশিয়ার জাগরেবে এই অদ্ভুত জাদুঘর অবস্থিত। এই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে সেই সব প্রেমিক-প্রেমিকার জিনিসপত্র যাদের মাঝে এক সময় খুবই অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল কিন্তু এখন আর নেই। জাদুঘরটির প্রতিষ্ঠাতা এমনি এক সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া জুটি চিত্রপ্রযোজক অলিংকা ভিসটিকা (Olinka Vistica) এবং স্থাপত্যশিল্পী ড্র্যাজেন গ্রুবিসিক (Drazen Grubisic)। ২০০৩ সালে এদের মধুর প্রেম ভেঙে গিয়েছিল। ৩ বছর পর ২০০৬ সালে তাদের আবার দেখা হলে এমন জাদুঘর বানানোর আইডিয়া মাথায় আসে। যেখানে থাকবে শুধু ব্যর্থ ও ভেঙে যাওয়া প্রেমিক-প্রেমিকাদের পারস্পরিক আদান-প্রদান উপহারগুলো। প্রথম দিকে জাদুঘরের সংগ্রহশালা শুরু তাদের নিজেদের ও বন্ধুদের দান করা সামগ্রী থেকে। অক্টোবর ২০১০ এ স্থায়ী এর যাত্রা শুরু হয়। মে ২০১১ জাদুঘরটি ইউরোপিয়ান মিউজিয়াম ফোরাম কর্তৃক Kenneth Hudson Award পুরস্কার লাভ করে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx