দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ২০২৪-এ বিশ্বের সবচেয়ে স্লিম ফোল্ডেবল এআই স্মার্টফোনের স্বীকৃতি পাওয়া অনার ম্যাজিক ভি৩ নিয়ে এলো শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অনার বাংলাদেশ।

টাইম ম্যাগাজিনের বেস্ট ইনভেনশনস অব ২০২৪ হিসেবে স্বীকৃত, আইএফএ ২০২৪ পুরস্কার বিজয়ী এই স্মার্টফোনটি এখন উদ্ভাবনের নতুন উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে নিয়ে আসা হচ্ছে।
স্মার্টফোনে উদ্ভাবনকে নতুনভাবে তুলে ধরতে অনার ম্যাজিক ভি৩-তে আলট্রা-স্লিম ডিজাইন নিয়ে এসেছে অনার। এতে করে স্মার্টফোনটি ফোল্ড করা অবস্থায় ৯.২ মিলিমিটার ও ফোল্ড না করা অবস্থায় ৪.৩৫ মিলিমিটার আকারে থাকবে। মাত্র ২২৬ গ্রাম ওজনের এই ফোনটিতে অ্যারোস্পেস-গ্রেডের ফাইবার দিয়ে তৈরি আর্মর ব্যবহার করা হয়েছে, যা এর ইমপ্যাক্ট রেজিজট্যান্সকে ৪০ গুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম। ডিভাইসটির স্থায়িত্ব নিশ্চিতে আইপিএক্স৮ ব্যবহার করা হয়েছে, যা পানি থেকে স্মার্টফোনটিকে সুরক্ষিত রাখবে।
অনার ম্যাজিক ভি৩’র ৬.৪৩ ইঞ্চির এক্সটার্নাল ডিসপ্লে ও ৭.৯২ ইঞ্চির ইন্টারনাল ফোল্ডেবল স্ক্রিন, এই দু’টিতেই ১২০ হার্জ ডায়নামিক রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করবে অনন্য এই ডিসপ্লে। সেইসঙ্গে, এর ট্রিপল-ক্যামেরা সিস্টেমে ৫০ মেগাপিক্সেল ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল লেন্স, ৫০ মেগাপিক্সেল আলট্রা-ওয়াইড লেন্স ও ৩.৫X অপটিক্যাল জুম সহ ২০ মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। সাবলীলভাবে সেলফি ও ভিডিও ধারণ নিশ্চিতে এতে ২০ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে। এগুলোর এআই-সমৃদ্ধ মোশন সেন্সিং টেকনোলজি ব্যবহারকারীর তোলা ছবিকে আরও নিখুঁত এবং ঝকঝকে করে তুলবে।
অনার ম্যাজিক ভি৩-তে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৮ জেন ৩ প্রসেসর। স্মার্টফোনটিতে ১২ জিবি বা ১৬ জিবি র্যামের পাশাপাশি, ২৫৬ জিবি থেকে শুরু করে ১ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা থাকছে। একইসাথে, এতে ৫,১৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফের নিশ্চয়তা দিতে ৬৬ ওয়াটের ওয়্যারড সুপারচার্জ ও ৫০ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জিং সুবিধা থাকছে।
অনবদ্য এই স্মার্টফোনটির প্রি-বুকিং ১ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে; ৬ মার্চ থেকে স্মার্টফোনটির ডেলিভারি শুরু হবে। প্রি-বুকিং দিলেই প্রত্যেক ক্রেতা একদম বিনামূল্যে পাবেন একটি ১০০ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জার।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org