The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

খালি পেটে ব্যায়াম করলে কী ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে পারেন?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা সবাই জানি শরীরচর্চা করলে শরীর ফিট থাকে। ওজনও তখন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই সকালে কিছু না খেয়েই অনেকেই যান হাঁটতে, আবার কেও দৌড়াতে। খালি পেটে ব্যায়াম করলে কী ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে পারেন?

খালি পেটে ব্যায়াম করলে কী ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে পারেন? 1

আবার অনেকেই খালি পেটেই জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে। এভাবে খালি পেটে শরীরচর্চা করলে আদৌতেও কোনও লাভ হয় কী? এই বিষয়ে জেনারেল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ রুদ্রজিৎ পাল বলেন, ‘খালি পেটে এক্সারসাইজ় করলে ওজন তো কমে না ও শরীরেরও কোনও লাভ হয় না। বরং, সুগার লেভেল এবং প্রেশারও কমে যেতে পারে, অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এমনকি শরীরও ডিহাইড্রেটেড হয়ে যায়।’ খালি পেটে শরীরচর্চা করার আগে জেনে নিন এই অভ্যাস শরীরের জন্য কতোটা ক্ষতিকর।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া

খালি পেটে এক্সারসাইজ় করলে হঠাৎ করেই রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতেই পারেন। যখন শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ গ্লুকোজ় থাকে না, তখন শরীরচর্চা করার শক্তি কমে যায়। সেইসঙ্গে একাধিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াও ধীর হয়ে যায়। তখন মাথা ঘোরা, ক্লান্তির মতো উপসর্গও দেখা দেয়।

রক্তচাপ কমে যাওয়া

খালি পেটে যোগব্যায়াম করার এনার্জিও পাবেন না। এর উপর ব্লাড প্রেশার কমে যায়। তাই অনেক সময় খালি পেটে শরীরচর্চা করলে মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব হওয়া, ক্লান্তি এবং দুর্বলতার মতো উপসর্গও দেখা দেয়।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা

যখন পেটে খাবার থাকে না, তখন কিন্তু পরিপাক তন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এই অবস্থাতে যদি শরীরচর্চা করেন, তখন অ্যাসিড রিফ্লাক্স, ব্লোটিং এমনকী গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যাও দেখা দেয়। এই সমস্যা যদি প্রতিনিয়ত হতেই থাকে, তখন মারাত্মক প্রভাব পড়ে হজম স্বাস্থ্যের উপরেও।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

আপনি যখন খালি পেটে ওয়ার্কআউট করেন, তখন মেটাবলিজ়ম এবং স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোর উপরেও প্রভাব পড়ে। যেমন- কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে ওজন কমে না, উল্টে বেড়ে যায় এবং শরীরে নানা সমস্যাও দেখা দেয়।

শরীরচর্চা করবেন কী খেয়ে?

যে কোনও ওয়ার্কআউট কিংবা এক্সারসাইজ় করার পূর্বে হাল্কা খাবার খাওয়া উচিত। কলা, খেজুর, বাদাম, ছাতুর শরবত কিংবা ওটসের স্মুদির মতো হাল্কা খাবার খেয়েও শরীরচর্চা করতে পারেন। এতে পেট ভার হবে না, আবার শরীরও থাকবে সুস্থ। তথ্যসূত্র: এই সময়।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx
bn_BDBengali