The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন কতো ঘণ্টা ঘুমাবেন?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মানুষের শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য ঘুম একটি অপরিহার্য বিষয়। গবেষণা বলছে, সঠিক সময় ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তবে প্রশ্ন হলো- প্রতিদিন আসলে কত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন?

শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন কতো ঘণ্টা ঘুমাবেন? 1

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং আমেরিকান একাডেমি অব স্লিপ মেডিসিনের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, বয়স ও শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই ঘুমের চাহিদা ভিন্ন হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে দৈনিক ১০-১৪ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন, কারণ এই সময় তাদের মস্তিষ্ক ও শরীর দ্রুত বিকশিত হয়। কিশোর-কিশোরীদের জন্য ৮-১০ ঘণ্টা ঘুম জরুরি, অপরদিকে প্রাপ্তবয়স্কদের গড়ে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম স্বাস্থ্যসম্মত হিসেবে ধরা হয়। বয়স্কদের ক্ষেত্রে ঘুমের সময় কিছুটা কমে ৬-৭ ঘণ্টা হতে পারে, তবে ঘুমের গুণগত মান এই বয়সে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গভীর ঘুমের সময় শরীরে হরমোন নিঃসৃত হয় যা কোষ মেরামত করে এবং শরীরকে শক্তি জোগায়। এছাড়া মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়ে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করে। যারা নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমান না, তাদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, হৃদরোগ এমনকি মানসিক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন গড়ে ৭ ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের মধ্যে অবসাদ, কর্মক্ষমতা হ্রাস ও মানসিক চাপ বেশি দেখা যায়। অপরদিকে, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ঘুম- যেমন ৯-১০ ঘণ্টার বেশি- করলেও শরীর ক্লান্তি বোধ করতে পারে এবং মেটাবলিজমের সমস্যা দেখা দেয়। অর্থাৎ, ঘুমের অভাব যেমন ক্ষতিকর, তেমনি অতিরিক্ত ঘুমও স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুমের অভাবে তরুণদের মধ্যে স্মৃতিভ্রংশ, পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতি ও উদ্বেগজনিত সমস্যা বাড়ছে। আধুনিক প্রযুক্তি, স্মার্টফোন ব্যবহার ও দেরিতে ঘুমানোর অভ্যাস এর অন্যতম কারণ। গবেষকেরা তাই রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর এবং প্রতিদিন নির্দিষ্ট রুটিন মেনে চলার পরামর্শ দেন।

তাই বলা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৭-৮ ঘণ্টা মানসম্মত ঘুম প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সবচেয়ে উপকারী। এটি শরীর ও মনকে সুস্থ রাখে, কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ করে। বয়স, শারীরিক অবস্থা ও জীবনযাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হতে পারে, তবে সঠিক রুটিন মেনে চলা এবং গভীর ও আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করাই স্বাস্থ্য রক্ষার মূল চাবিকাঠি।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx
bn_BDBengali