The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

রাতে বেশি বেশি ফোন ব্যবহারের কারণে ঘুমের কী ব্যাঘাত ঘটতে পারে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমান যুগে স্মার্টফোন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। যোগাযোগ, বিনোদন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, খবর, এমনকি কাজের প্রয়োজনে সারাদিনই মানুষ ফোন ব্যবহার করে।

রাতে বেশি বেশি ফোন ব্যবহারের কারণে ঘুমের কী ব্যাঘাত ঘটতে পারে? 1

তবে বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করছেন- অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার, বিশেষ করে রাতের বেলায় ফোন ঘাটা, ঘুমের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এই বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা গবেষণায় দেখা যায়, স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার অনিদ্রা, ঘুমের মানহ্রাস ও মানসিক অস্থিরতার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত “ব্লু লাইট” বা নীল আলো ঘুমের ব্যাঘাতও ঘটায়। মানবদেহের ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ‘মেলাটোনিন’ এই নীল আলোর প্রভাবে কমে যায়। ফলে রাতে ফোন ব্যবহার করলে শরীর স্বাভাবিকভাবে ঘুমের প্রস্তুতি নিতে পারে না। এর ফলে ঘুম আসতে দেরি হয়, ঘুমের গভীরতা কমে যায় এবং সকালে ক্লান্তি অনুভূত হয়।

এক গবেষণায় আরও দেখা যায়, যারা শোয়ার আগে দীর্ঘ সময় ফোনে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করেন কিংবা ভিডিও দেখেন, তাদের মস্তিষ্ক অতিরিক্ত সক্রিয় থাকে। এই মানসিক উদ্দীপনা ঘুমের চক্রে বিঘ্ন ঘটায়। ফোনের নোটিফিকেশন, রিংটোন কিংবা মেসেজের শব্দও ঘুমের সময় মস্তিষ্কে অস্থিরতা সৃষ্টি করে, ফলে গভীর ঘুম বজায় থাকে না।

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে ঘুমের সময়সূচি বিঘ্নিত হয়, যা “স্লিপ ডিপ্রাইভেশন সিনড্রোম” নামে পরিচিত একধরনের ঘুম-সংক্রান্ত সমস্যা তৈরি করে। এর প্রভাবে মনোযোগ কমে, মেজাজ খারাপ হয়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। এমনকি দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ও বিষণ্নতার ঝুঁকিও বাড়ে।

বিশেষ করে তরুণ এবং কিশোর বয়সীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তারা রাতে দেরি পর্যন্ত গেম খেলা, ভিডিও দেখা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কাটানোর কারণে ঘুমের সময় হারায়। এতে তাদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমে, সকালে ক্লান্ত লাগে ও দিনভর অস্থিরতা দেখা দেয়।

এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। যেমন- শোয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন ব্যবহার বন্ধ করা, রাতের বেলায় “নাইট মোড” কিংবা “ব্লু লাইট ফিল্টার” চালু রাখা এবং শোবার ঘরে ফোন না রেখে ঘুমানো। এছাড়া নির্দিষ্ট ঘুমের রুটিন তৈরি করে তা মেনে চললে ঘুমের মান উন্নত হয়।

স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অংশ হলেও এটির অতি নির্ভরতা ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তাই সচেতনভাবে স্মার্টফোন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলাই হতে পারে সুস্থ ঘুম এবং সুস্থ জীবনের প্রথম ধাপ।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx
bn_BDBengali