দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দেশের বাজারে সম্পূর্ণ নতুন এইচএস সিরিজের গাড়ি আনতে যাচ্ছে স্বনামধন্য ব্রিটিশ গাড়ির ব্র্যান্ড এমজি।

নতুন এ সিরিজে থাকছে অত্যাধুনিক সুপার হাইব্রিড (প্লাগ-ইন হাইব্রিড) এবং হাইব্রিড প্লাস– এই দু’টি মডেল। বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি এমজি’র একটি বড় পদক্ষেপ। জ্বালানি সাশ্রয়, আরামদায়ক যাত্রা ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এমজি এইচএস -এর নতুন হাইব্রিড সিরিজ।
সি-সেগমেন্টের একটি নির্ভরযোগ্য এবং আকর্ষণীয় এসইউভি হিসেবে এমজি এইচএস ইতোমধ্যেই দেশের গাড়ির বাজারে দারুণ সুনাম অর্জন করেছে। হাইব্রিড মডেলের নতুন এ দু’টি গাড়ি সে সুনামের ধারাকে বজায় রাখবে। ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ ডিজাইনের সাথে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি গাড়িগুলো ব্যবহারকারীদের দিবে আরও মসৃণ এবং জ্বালানী সাশ্রয়ী গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা।
একবার চার্জ দিলে শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক শক্তিতে ১২০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে সুপার হাইব্রিড (প্লাগ-ইন হাইব্রিড) মডেলটি, যা ফুল চার্জ এবং ফুল ট্যাংক জ্বালানীর সম্মিলিত শক্তিতে ১০০০ কিলোমিটারেরও বেশি চলতে সক্ষম। গাড়িতে থাকা প্লাগ-ইন হাইব্রিড প্রযুক্তির কারণে স্বল্প দূরত্বের পথ পাড়ি দেওয়া যাবে কোন কার্বন নিঃসরণ ছাড়াই, আর লম্বা রাস্তায় কাজে লাগবে এর হাইব্রিড শক্তি। অন্যদিকে, হাইব্রিড প্লাস মডেলে রয়েছে স্মার্ট ডুয়াল-মোড পাওয়ার সিস্টেম, যা সর্বোচ্চ দক্ষতা ও আরামের জন্য বিদ্যুৎ এবং পেট্রোল ব্যবহারের সমন্বয় করবে। জ্বালানির খরচ কমানোর পাশাপাশি নিঃসরণ কমানো এবং গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে চমৎকার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে স্মার্ট ডুয়াল-মোড পাওয়ার সিস্টেম।
আন্তর্জাতিক পরিসরে এমজি এইচএস একাধিক পুরস্কার পেয়েছে। ‘হোয়াটকার? অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ -এ সেরা প্লাগ-ইন হাইব্রিড এবং পরিবারের ব্যবহারে সেরা এসইউভি এবং ‘অটোকার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫’ -এ ‘বেস্ট ম্যানুফাকচারার’ স্বীকৃতি পেয়েছে ব্র্যান্ডটি। এ ছাড়াও, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া আর মধ্যপ্রাচ্যের মতো বাজারে এমজি এইচএস সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া হাইব্রিড এসইউভির তালিকায় রয়েছে।
দেশজুড়ে এমজি বাংলাদেশের শোরুম এবং অনুমোদিত ডিলার পয়েন্টে এখন এমজি এইচএসের এই দু’টি সংস্করণের গাড়ির প্রি-বুকিং চলছে।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org