দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বসেরা ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এবার দেখা যাবে জনপ্রিয় অ্যাকশন ফ্রাঞ্চাইজির শেষ অধ্যায়ে। এমন কথা শোনা যাচ্ছে। যদিও এর সত্যতা কতোখানি তা এখনও নিশ্চিত নয়।

দ্য হলিউড রিপোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যায, জনপ্রিয় অ্যাকশন রেসিং ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এ ডোমিনিক টোরেটো চরিত্রে অতি পরিচিত মুখ অভিনেতা ভিন ডিজেল নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে ফুটবলার রোনালদোর সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন।
সেখানে শুরুতেই ক্যাপশনে অভিনেতা লিখেছেন, একসময় রোনালদোর জন্য একটি চরিত্র লেখা হয়। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস’-এর সিক্যুয়েল ‘লস বানডোলেরস’-এ রোনালদোর অভিনয়ের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ওই সিনেমায় তাকে দেখা যায়নি।
তবে এবার বিষয়টি অন্যদিকে মোড় নেয় যখন ভক্তরা লক্ষ্য করেন যে, অভিনেতা ভিন ডিজেল ওই পোস্টের ক্যাপশন সামান্য বদলে দিয়েছেন।
নতুন ক্যাপশনে লেখা হয়েছে- সবাই জিজ্ঞেস করছিল, সে কি ‘ফাস্ট’ মিথোলজিরই অংশ হবে? আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, সে একজন আসল মানুষ। আমরা তার জন্যই একটি চরিত্র লিখেছিলাম।
এই পরিবর্তনই ভক্তদের উত্তেজনা আরও যেনো বাড়িয়ে দিয়েছে। কমেন্ট সেকশনে শুরু হয়েছে তোলপাড়। নেটিজেনরা ধারণা করছেন যে, এবার কী সত্যি সত্যিই পা রাখতে যাচ্ছেন ফুটবল সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো?
এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্ত-অনুরাগীদের মনেও। কারণ হলো সম্প্রতি অভিনেতা ভিন ডিজেলের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট নতুন করে জল্পনা যেনো আরও উসকে দিয়েছে। তাহলে কী ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’-এ রোনালদোর দেখা পাওয়া যাবে?
কেও কেও আবার কল্পনা করছেন যে, তিনি কোন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ও করতে পারেন। অধিকাংশ মন্তব্যই ছিল ইতিবাচক ও রোনালদোকে এই আইকনিক অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে দেখার আগ্রহেও ভরপুর। তবে ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’-এ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অভিনয় নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অবশ্য আসেনি। যে কারণে আপাতত বিষয়টি জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে।
‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’-ই নাকি এই দীর্ঘদিনের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ সিনেমা হতে যাচ্ছে। ভিন ডিজেলের সঙ্গে সেই সিনেমাতে ফেরার কথা রয়েছে ডোয়াইন জনসন (হবস), জেসন মোমোয়া (ডান্তে রেয়েস) ও জেসন স্ট্যাথাম (ডেকার্ড শ)-এর।
এছাড়াও এই সিনেমার মুক্তির তারিখও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জল্পনা চলছে যে, ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস ১১’।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org