The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

তিস্তার পানি ক্রমেই কমছে ॥ পানি পাওয়া না গেলে ক্ষেত বাঁচানো যাবে না-কৃষকদের আহাজারী

কমতে শুরু করেছে দেশের নদ-নদীগুলোর পানি। যে কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকরা বেশ বেকায়দায় আছেন। তারা সময় মতো সেচ দিতে না পারলে-ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে জানা গেছে। দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে আমাদের প্রতিনিধিরা এসব সংবাদ দিয়েছেন।
আমাদের ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি জানান, দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজে পানি প্রবাহ কমতে শুরু করেছে। ১ দিনের ব্যবধানে কমেছে ২ হাজার কিউসেক। উজানের পানি প্রবাহ দিন দিন কমে আসায় তিস্তা নদীর পানি কমে মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি ৪ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহ থাকার পর ১ দিনের মাথায় ১৪ ফেব্রুয়ারি কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার কিউসেক-এ। এতে একদিনেই পানি কমেছে ২ হাজার কিউসেক। সেচনির্ভর বোরো আবাদে তিস্তার সেচ কমান্ড এলাকায় পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। এভাবে পানি কমে গেলে বোরো আবাদ চরমভাবে ব্যাহত হওয়ার আশংকা করছে স্থানীয় কৃষকরা। জানা যায়, জানুয়ারি মাসে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ ছিল ৬ হাজার কিউসেক। চলতি সেচনির্ভর বোরো আবাদে প্রথম দফায় সেচের পানি সঠিকভাবে সরবরাহ থাকলে তিস্তা ব্যারাজের আওতায় ৪৪ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো চারা রোপণ সম্পন্ন করতে পারে সেচ প্রকল্প কমান্ড এলাকার কৃষকরা।
তিস্তা ব্যারাজের সেচ প্রকল্পের সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অমলেশ চন্দ্র রায় জানান, তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের প্রথম ভাগে এবার সেচনির্ভর বোরো আবাদে নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার ৪৪ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে সেচ দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দিনাজপুর জেলায় ৪ হাজার হেক্টরে, নীলফামারী জেলায় ৩০ হাজার ৫০ হেক্টরে ও রংপুর জেলায় ১০ হাজার হেক্টরে। এসব পানি তিস্তা ব্যারাজ হয়ে বিভিন্ন প্রধান ক্যানেল, সেকেন্ডারি ক্যানেল ও টারশিয়ারি ক্যানেলের মাধ্যমে কৃষকদের বোরো জমিতে সেচ দেয়া হবে। অমলেশ চন্দ্র রায় আরও জানান, বোরো আবাদে কৃষকদের জমিতে তিস্তা ব্যারাজের কমান্ড এলাকায় ২২ জানুয়ারি থেকে সেচ প্রদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার পানির প্রবাহ কমতে থাকায় এটি নেমে এসেছিল ২ হাজার ৮শ’ কিউসেক পর্যন্ত। এরপর ২শ’ কিউসেক বৃদ্ধি পায়। ১৩ ফেব্রুয়ারি এটি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছিল ৪ হাজার কিউসেক পর্যন্ত। অথচ ১ দিনের মাথায় ১৪ ফেব্রুয়ারি পানি প্রবাহ কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২ হাজার কিউসেক। এতে তিস্তা নাব্যতা ফের হারিয়ে ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয়েছে। হঠাৎ করে তিস্তায় ঢল, আবার সেই ঢল থেমে যাওয়ায় পানিপ্রবাহ এখন ক্রমেই কমছে। উজানের পানির গতি এখন কমছে বলে তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা একটি সূত্র স্বীকার করে জানায়, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেট বন্ধ রেখে এই অল্প পানি সেচ খালে প্রবেশ করানো হচ্ছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বোরো আবাদে কৃষকদের সেচ দিতে হবে। তবে যে হারে পানি কমছে নদীতে সেচ কার্যক্রম চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়বে। কৃষকরা বলছেন, এখন বোরো রোপণ আবাদের ভরা মৌসুম। এ সময় বোরো আবাদে প্রচুর পানির দরকার হয়। শীত কমে রোদ্র উঠছে। রোদের কারণে প্রতিদিন বোরো ক্ষেতে পানির চাহিদাও বেড়ে গেছে। পানি পাওয়া না গেলে ক্ষেত বাঁচানো যাবে না- ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যাবে। তিস্তায় উজানের পানি প্রবাহ বৃদ্ধি না পেলে বোরো আবাদে দিনাজপুর, নীলফামারী ও রংপুর জেলার ১৩ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৪৪ হাজার ৫০ হেক্টরে সেচ দেয়া সম্ভব হবে না। এদিকে শুধু তিস্তা নয় উত্তরের রংপুর বিভাগের সব নদ-নদীর নাব্যতা এতটাই হ্রাস পেয়েছে যে, আসন্ন বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম চালানোই কঠিন হয়ে পড়বে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম অবশ্য বলছেন অন্য কথা। তিনি বলেন, পানি কমে গেলেও এখন পর্যন্ত সেচে কোন সমস্যা হয়নি। তবে আশা করা হচ্ছে, এ সমস্যা দ্রুত কেটে যাবে এবং কৃষকরা প্রয়োজন অনুযায়ীই পানি পাবে। (তথ্য সূত্র: দৈনিক যুগান্তর)।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx