The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নাকি আরব নারী মূর্তির অনুকরণ!

In this June 2, 2009 photo, the Statue of Liberty is seen in New York harbor. The crown is set to open July 4 after being closed since shortly after the Sept. 11, 2001, terrorist attacks. (AP Photo/Richard Drew)

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পৃথিবীজোড়া নানা খবরের মধ্যে এবার নতুন খবর হলো নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নাকি আরব এক নারী মূর্তির অনুকরণ!

In this June 2, 2009 photo, the Statue of Liberty is seen in New York harbor. The crown is set to open July 4 after being closed since shortly after the Sept. 11, 2001, terrorist attacks. (AP Photo/Richard Drew)

‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নিউ ইয়র্কের গণতন্ত্র ও মুক্তির প্রতীক সেটি আমাদের জানা। সম্প্রতি এই ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূর্তিটি আরব নারী মূর্তির অনুকরণে নির্মিত হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য প্রকাশিত হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিশ্বজুড়ে ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ মাধ্যমগুলো তাদের খবরে বলেছে, প্রথমে নাকি মিসরের একটি প্রকল্পের জন্য একজন আরব নারীর ভাস্কর্য তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ ফরাসি ভাস্করের ডিজাইন করা ওই আরব নারী মূর্তির অনুকরণে নির্মিত হয়। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য দিয়েছে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস।

Statue of Liberty Arab woman-2

এএফপির প্রতিবেদনের উদ্বৃত করে খবরে বলা হয়, যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান দেশ হতে যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশ নিয়ে উত্তপ্ত এক বিতর্কের মধ্যে গবেষকরা এমন একটি চমকপ্রদ তথ্য আবিষ্কার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের উদ্বৃত করে সংবাদ মাধ্যমে জানানো হয়, ফরাসি ভাস্কর ফ্রেডেরিক অগাস্টি বার্থোলদি ১৮৫৫-১৮৫৬ সাল পর্যন্ত মিসর সফর করেন। সেখানে তিনি বিশাল আকৃতির সরকারি স্মৃতিস্তম্ভ এবং প্রস্তরে খোদাই ভাস্কর্য নির্মাণ করেছিলেন।

১৮৬৯ সালে মিসরীয় সরকার সুয়েজ খালের জন্য একটি লাইট হাউস নির্মাণের কথা ভাবছিল, এই বার্থোলদি তখন একটি বিশাল নারী মূর্তির ডিজাইন করেন। ঢোলা জামা পরা ওই মূর্তিটির হাতে একটি মশাল ধরা ছিল। এই মূর্তির নাম দেওয়া হয়, ‘মিসর এশিয়ার জন্য আলো নিয়ে এসেছে।’ তিনি নাকি ‘ঘোমটা দেওয়া এক কৃষাণী’কে দেখে এই মূর্তির ডিজাইনটি করেন।

জানা যায়, ১৮৭০ সালে বার্থোলদি পূর্ববর্তী মূর্তির অনুকরণেই এই ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ নির্মাণ করেন। এরপর ১৮৮৬ সালে মূর্তিটি উন্মোচিত হয়। ন্যাশনাল গার্ড নিউইয়র্কের ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’ ওই মূর্তিটির পাহারার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে। এভাবেই বেরিয়ে এসেছে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র আদি কাহিনী। তবে এসব কাহিনী উঠে আসার পর বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। যার শেষ কি হয় তা কারও জানা নেই।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx