টাঙ্গাইলের ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি ২০১৬ খৃস্টাব্দ, ২৫ পৌষ ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৭ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

201 historic domed mosque in Tangail

যে ছবিটি দেখছেন সেটি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ। এই মসজিদটি নির্মাণাধীন।

এই ২০১ গম্বুজ মসজিদে থাকবে বিশ্বের বেশি সংখ্যক গম্বুজ এবং ৪৫১ ফুট উঁচু একটি মিনার। যা একটি বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করে গিনেস রেকর্ড বুকে নাম লেখাতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় আল্লাহর ঘর এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি বাংলাদেশকে বিশ্বে নতুন করে পরিচিত করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কারণ প্রচুর বিদেশি পর্যটক ও এমনকি ওলি আউলিয়াদেরও আগমন ঘটতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মসজিদটি নির্মিত হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যাগে। ২৭১ শতাংশ জায়গায় নির্মাণাধীন মসজিদের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে ৭৫%। তবে নির্মাণাধীন অবস্থায়ই মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় শুরু হয়েছে।

এই মসজিদে থাকবে ২০১টি গম্বুজ। বিশ্বের ইতিহাসে এতো বেশি গম্বুজ বিশিষ্ট কোনো মসজিদ এর আগে কখনও নির্মাণ করা হয়নি।

নির্মাণাধীন এই ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদে থাকবে অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা। এই মসজিদটিতে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এই মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে অংকিত থাকবে সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন। আর মসজিদের প্রধান দরজায় ব্যবহার করা হবে ৫০ মন পিতল!

মসজিদের পাশে আজান প্রচারের জন্য নির্মাণ করা হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু মিনার। উচ্চতার হিসেবে মিনারটি হবে প্রায় ৫৭ তলার সমপরিমাণ উঁচু অর্থাৎ ৪৫১ ফুট!

এই মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে পৃথক ভবন। ওই ভবনগুলোতে থাকবে দুঃস্থ মহিলাদের জন্য বিনামূল্যের হাসপাতাল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের পূনর্বাসনের ব্যবস্থা। দূর-দূরান্ত হতে আগত মুসল্লিদের জন্য থাকবে ডাক বাংলো এবং খাবারের ব্যবস্থাও। এই মসজিদটির নির্মাণ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

নির্মাতাদের প্রত্যাশা, শৈল্পিক স্থাপনা হিসেবে এই মসজিদটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের এক প্রতীক হয়ে দাঁড়াবে। ইতোমধ্যেই নির্মাণাধীন অবস্থাতেই মসজিদটি দেশি-বিদেশী পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।

এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মাতা রিজিয়া খাতুন।

২০১৭ সালের প্রথম দিকে পবিত্র ‍কাবা শরিফের ইমামের উপস্থিতি এবং ইমামতির মাধ্যমে মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ছবি ও তথ্য: www.sharebazarnews.com এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...