পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। আজ বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ খৃস্টাব্দ, ৫ ফাল্গুন ১৪২২ বঙ্গাব্দ, ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

Greenland

পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ হিসাবে গ্রিনল্যান্ডের নাম সু-পরিচিত। গ্রিনল্যান্ড ভৌগোলিক দিক দিয়ে মেরু অঞ্চলে হওয়ায় সেখানে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় মাত্র ৩ ঘণ্টা বা তার একটু বেশি কিংবা কম সময়। ফলে সেখানকার শীতকাল বা শৈত্যপ্রবাহকাল খুব দীর্ঘ সময় হয়ে থাকে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন এক পরিবেশ যেনো কালো চাদরের মতো ঝুলে থাকে গোটা গ্রিনল্যান্ডে। তবে ভুলে গেলে চলবে না যে এটা সাইবেরিয়া নয়, এই ঠাণ্ডা অন্ধকারাচ্ছন্ন দ্বীপেও লুকিয়ে রয়েছে বিচিত্র সব সৌন্দর্য্য।

এক তথ্যে জানা যায়, এই দ্বীপটির উত্তর গোলার্ধে রয়েছে বিশাল সমুদ্র। প্রাগৈতিহাসিক কাল হতে সমুদ্রের মধ্যে বরফের চাইগুলো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক অজানা গর্ব নিয়ে। দূর হতে দেখতে মনে হয় অনেকটা বরফের জঙ্গল। সেই জঙ্গলের মাঝ দিয়ে ছোট নৌকা দিয়ে কুয়াশার নদী কেটে এঁকেবেঁকে চলা যায় অনায়াসে।

সংবাদ মাধ্যমের এই তথ্যে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে নরওয়ের একজন গবেষক তাঁর এক লেখায় গ্রিনল্যান্ডকে বিস্ময়কর, অরক্ষণশীল, রূপকথার রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তীর হতে দেখতে এক একটি বরফের চাই’কে তিনি বিশাল দূর্গ ও প্রাচীরের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের সঙ্গে সেখানে রয়েছে মৃত্যু ভয়ও। অনেক অভিযাত্রীর জীবন প্রদীপ নিভে গেছে এই গ্রিনল্যান্ডের কঠিন ঠাণ্ডার কারণে।

ছবি: www.therussianabroad.com এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...