The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

‘তক্ষক’ নামে এই প্রাণিটি কেনো এতো মহামূল্যবান?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এই প্রাণিটির নাম ‘তক্ষক’। দেখতে অনেকটা গুই সাপের বাচ্চার মতো। এই প্রাণিটি নাকি মহামূল্যবান, কিন্তু কেনো?

joiner-why-in-name-of-so-many-precious-animals

‘তক্ষক’ নামে এই প্রাণিটির গায়ে লাল সিঁদুরের ও সাদা ফোঁটার মতো রয়েছে। আকারে বেশ ছোট। তবে ছোট হলেও অনেক বয়সী এটি। পূর্ব এশীয় দেশগুলোতে এই প্রাণিটি খুব চড়ামূল্যে বিক্রি হয়। কারণ তক্ষকের নাকি ওষুধি গুণ রয়েছে।

এই প্রাণিটির দুই ধরনের পা রয়েছে। কোনোটার ‘মুরগী পা’ আবার কোনোটার ‘হাঁস পা’। তবে ‘হাঁস পা’গুলোর দাম খুব বেশি। সর্বনিন্ম সাড়ে ৯ ইঞ্চি লম্বা এবং ৫২ গ্রাম ওজনের ‘হাস পা’ বেশি প্রচলিত। এর কম ওজন কিংবা লম্বায় সাড়ে ৯ ইঞ্চির ছোট হলে সেটি চলবে না। ইঞ্চির মাপ ধরা হয়ে থাকে চোখ হতে লেজের শেষঅংশ পর্যন্ত।

অপরদিকে ‘মুরগি পা’গুলো ২৫৫ গ্রাম ওজন ও সাড়ে ১৫ ইঞ্চি লম্বা হতে হয়। আবার আরেকটা আছে ‘বার্মিজ’। ‘বার্মিজটা’ ওজন সাড়ে তিনশ গ্রামের নিচে হলে বিক্রির অনুপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম বলেছেন, এটি সরিসৃপ জাতীয় প্রাণি, এরা নিশাচর। গাছের গর্তে বসবাস করে। বিভিন্ন পোকামাকড়, পাখির ডিম খেয়ে এরা জীবন ধারণ করে থাকে।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেছেন, ‘সাউথ ইস্ট এশিয়ায় অনেকেই পোষা প্রাণির মতো ‘তক্ষক’ লালন-পালন করে বলে শোনা যায়। তারা মনে করেন যে, এই প্রাণিটি বাড়িতে থাকলে নাকি তাদের সৌভাগ্য বয়ে আনে। আবার নিঃসন্তানদের সন্তানাদি হয়।’

তিনি আরও জানান, এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘Gekko gecko’। ইংরেজিতে একে ‘Tokay gecko’ বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ হতে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত কিছু কিছু দ্বীপাঞ্চলে এই প্রাণি দেখা যায়।

উইকিপিডিয়ার তথ্য থেকে জানা যায়, ভারত ও বাংলাদেশসহ মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কাম্পুচিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশে প্রায় ৬০০ প্রজাতির তক্ষকের বসবাস।

বণ্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা এবং প্রকৃতি সংরক্ষণের খুলনা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বলেছেন, তক্ষকের বিষয়টি আমরা এখনও পরিষ্কার হতে পারিনি। বিভিন্ন সময় গ্রেফতারকৃতদের নিকট হতে জানা গেছে, পূর্ব এশীয় দেশগুলোতে এই প্রাণি চড়ামূল্যে বিক্রি করা হয়। এই তক্ষকের ওষুধি গুণ রয়েছে বলে শোনা যায়। কোনো কোনো দেশ হয়তো ‘তক্ষক’ দিয়ে ওষুধ তৈরি করে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি এর বেশি কিছু আমাদের জানা নেই।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx