সেনাবাহিনী নেই এমন কিছু দেশ সম্পর্কে জানুন

সেনাবাহিনী হলো একটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে। আবার বহু দেশ সামরিক শক্তি প্রদর্শন করতে ভালোওবাসে

Dragoons assigned to Bull Troop, 1st Squadron, 2d Cavalry Regiment participated in a live-fire exercise at Grafenwoehr Training Area located near Rose Barracks, Germany, Mar. 5, 2015. Troopers conducted group and tactical movements while attacking an objective assisted by their Strykers and mortar fire during the exercise. (U.S. Army photo by Sgt. William A. Tanner)

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ একটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকে সেনাবাহিনী। কিন্তু সেই সেনাবাহিনীই যদি দেশে না থাকে তাহলে তাদের নিরাপত্তা দেবে? আজ জানুন এমন কিছু দেশের কথা যাদের সেনাবাহিনী নেই!

সেনাবাহিনী হলো একটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে। আবার বহু দেশ সামরিক শক্তি প্রদর্শন করতে ভালোওবাসে। যেমন দেখা যায় জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজে সেনাবাহিনীকে নিয়ে আসা হয়। ওইসব কুচকাওয়াজে নানা ধরনের অস্ত্রশস্ত্র বাস্তবে দেখানো হয়। অথচ বিশ্বে এমন কিছু দেশ রয়েছে যাদের সামরিক বাহিনী বলে কিছুই নেই!

লিখস্টেনস্টাইন

ইউরোপের কেন্দ্রে অবস্থিত এই ছোট্ট দেশটি তাদের সামরিক বাহিনী বাতিল করে দিয়েছে সেই ১৮৬৮ সাল হতে। এর কারণ হলো আর্থিক। যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনী গঠন করা চলে, কিন্তু কোনোদিন তার প্রয়োজনই পড়েনি। দেশটি ছোট হলেও সমৃদ্ধ একটি দেশ। মাথাপিছু আয় বিশ্বে কেবলমাত্র কাতার-এর চেয়ে কম।

কস্টারিকা

মধ্য অ্যামেরিকার এই দেশটিতে কোনো সেনাবাহিনী নেই। এর কারণ হলো দেশটির সংবিধানই বলে দিয়েছে যে, দেশে কোনো সামরিক বাহিনী থাকবে না। এই পরিস্থিতি চলছে ১৯৪৯ সাল হতে। জাতিসংঘের শান্তি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে এই কস্টারিকায়।

 

সামোয়া দ্বীপরাজ্য

প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপরাজ্যটি নিউজিল্যান্ড হতে স্বাধীনতা ঘোষণা করে ১৯৬২ সালে। এ যাবত দেশটির কোনো সামরিক বাহিনী নেই। নিউজিল্যান্ড প্রয়োজনে দেশটির প্রতিরক্ষার জন্য সাময়িকভাবে হস্তক্ষেপ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অ্যান্ডোরা

ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১২৭৮ খ্রিষ্টাব্দে। আ্যান্ডোরার নিজস্ব সামরিক বাহিনী নেই। তবে প্রয়োজনে স্পেন ও ফ্রান্স দেশটিকে সুরক্ষিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অ্যান্ডোরার আয়তন মাত্র ৪৭৮ বর্গমিটার, যা জাকার্তার মতো কোনো বড় শহরের চেয়েও কম!

তুভালু

প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপরাজ্যটির আয়তন মাত্র ২৬ বর্গ কিলোমিটার। এর জনসংখ্যা মাত্র দশ হাজার। তুভালু কমনওয়েল্থের সদস্য। এখানকার শাসনব্যবস্থা এক ধরণের সংসদীয় রাজতন্ত্র বিদ্যমান।

নাউরু দ্বীপরাজ্য

প্রশান্ত মহাসাগরের এই দ্বীপরাজ্যটির আয়তন মাত্র ২১ বর্গ কিলোমিটারের কিছু বেশি। এটির জনসংখ্যা ১০,০০০। নাউরু মাইক্রোনেশিয়ার এটি অংশ।

ভ্যাটিকান

ইটালির রাজধানী রোম-এর একাংশ হলো এই ভ্যাটিকান। ভ্যাটিকান হলো বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ, যার আয়তনে শূন্য দশমিক চার বর্গ কিলোমিটার। আর জনসংখ্যা ৮৪০। কাজেই জনসংখ্যার হিসেবেও ভ্যাটিকান বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে পরিচিত।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চল গ্রেনাডা

অতলান্তিক মহাসাগরের ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটি আসলে মাত্র একটিমাত্র দ্বীপ, যার আয়তন হলো ৩৪৪ বর্গ কিলোমিটার, জনসংখ্যা এক লক্ষ ৫ হাজার। দেশটি কমনওয়েল্থের সদস্যভূক্ত। শাসনব্যবস্থা হলো সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।

Loading...