The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ডেট লাইন ঃ বিরোধী দলের ১২ মার্চের মহাসমাবেশ ॥ রাজধানীর সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন

ঢাকা টাইমস্‌ রিপোর্ট ॥ বিরোধী দলের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন। সড়ক পথে কোন বাস চলছে না। লঞ্চ চলাচল পুরোপুরি বন্ধ। আতংক সৃষ্টির মাধ্যমে সারাদেশের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক ও নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল করে ফেলা হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা।ডেট লাইন ঃ বিরোধী দলের ১২ মার্চের মহাসমাবেশ ॥ রাজধানীর সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন 1 ১০ মার্চ বিকালে নগরীর কয়েকটি টার্মিনালের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বাস না চালাতে টার্মিনালে মাইকিংও হয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে আসা লোকজনকে পুলিশ আটক কিংবা জিজ্ঞাসাবাদ করছে। চাঁদপুর থেকে কোন লঞ্চ ঢাকা আসতে দেয়া হয়নি। সেই সঙ্গে নির্বিচারে পুলিশের গাড়ি রিক্যুইজিশন কার্যক্রম পরিবহন মালিকদের আতংককে বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারিভাবে এ বিষয়ে লিখিত কোন নির্দেশনা না থাকলেও পরিবহন নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশ ও চাপে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে শনিবার দিনভর অস্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করে। যাত্রীরা জানান, গতকাল দুপুরের পরপরই টার্মিনালের বাসগুলোর টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়। অসংখ্য মানুষ টিকিটের জন্য ভিড় জমালেও তাদের টিকিট দেয়া হয়নি। এতে দুর্ভোগের শিকার হন হাজার হাজার মানুষ। আলাপকালে কল্যাণপুরে ঈশ্বরদী রুটের এক কাউন্টার থেকে ঝন্টু জানান, মালিকের নির্দেশে তারা ১১ মার্চ ও ১২ মার্চের সব টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। এমনটি ঢাকা থেকে ঈশ্বরদী রুটে কোন বাসও ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন তিনি। দ্রুতি পরিবহনের কর্মী জয়নাল বলেন, আপাতত ঢাকা থেকে যাত্রী নেয়া হলেও বাইরে থেকে যাত্রী আনা হচ্ছে না। আসাদগেটে শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার কর্মী সেলিম বলেন, ১১ মার্চ সারাদিন ও ১২ মার্চ দুপুর ১২টা পর্যন্ত তারা অগ্রিম টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। দুই দিন আগে পুলিশ এসে এ নির্দেশ দিয়ে গেছে।

সায়েদাবাদ টার্মিনালে প্রচুর যাত্রী থাকলেও ১১ মার্চ উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাস ছাড়তে পারেনি। ১০ মার্চ যেসব বাস টার্মিনাল ছেড়ে গিয়েছিল সেগুলোর মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি ছাড়া বেশির ভাগই ফিরতে পারেনি। ঢাকার বাইরে থেকে আসা যাত্রীদের ধরে ধরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এমনকি ১১ মার্চ বিকালে কুমিল্লা থেকে আসা বেশ কয়েকজন যুবককে পুলিশ আটকও করেছে বলে মালিকরা জানান।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সায়েদাবাদ টার্মিনালে মালিক সমিতির নামে মাইকিং করে বলা হয়, সঠিক কাগজপত্র ছাড়া যাতে কোন বাস রাস্তায় নামানো না হয়। পুলিশ এ ধরণের গাড়ি আটক করলে মালিক সমিতি কোন সহযোগিতা করতে পারবে না। শনিরআখড়াসহ মহাসড়কে কয়েকটি চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ যানবাহনের কাগজপত্র তল্লাশি চালাচ্ছে। সমস্যা না থাকলেও গাড়ি আটক করে এগুলো রিক্যুইজিশনে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুমিল্লা রুটের বাসকর্মী নুর হোসেন বলেন, তিন দিন ধরে সায়েদাবাদে অস্বাভাবিক অবস্থা চলছে। টার্মিনালে এখন অর্ধেক বাসও নেই। অসংখ্য বাস পুলিশ রিক্যুইজিশন করেছে। বাকিগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মালিক বলেন, চেকপোস্ট বসিয়ে ও মাইকিং করে টার্মিনালে আতংক ছড়ানো হয়েছে। যাতে কোন মালিক রোববার ও সোমবার তাদের বাস না চালায়। এ সবকিছুই হচ্ছে চারদলীয় জোটের সোমবারের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে। তিনি বলেন, পুলিশ ইচ্ছা করলে নানা কারণ দেখিয়ে যে কোন বাস আটক করতে পারে।
সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনায়ের উল্লাহ জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে বাস বন্ধ রাখার কোন সিদ্ধান্ত নেই। তবে বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবহন মালিকরা ফোন করে জানিয়েছেন, চারদলের মহাসমাবেশে যাওয়ার জন্য জোরজবরদস্তি করে বাস নিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকায় পুলিশ দেদার বাস রিক্যুইজিশন করছে। ফলে মালিকরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় বাস চালাতে চাইছেন না। ইতিমধ্যে বহু মালিক ১১ মার্চ ও ১১ মার্চের টিকিট বিক্রি বন্ধ রেখেছেন বলে তিনি জানান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, নিজেদের যানবাহন কম হওয়ায় পুলিশ গাড়ি রিক্যুইজিশন করতে বাধ্য হয়। বিএনপির সমাবেশের কারণেও কিছু রিক্যুইজিশন হতে পারে। ফোর্সের চাহিদা অনুযায়ী এটা করা হবে। সাধারণ মালিকরা অভিযোগ করেছেন, সদরঘাট টার্মিনাল থেকে লঞ্চ চলাচলের ওপরও অলিখিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পুলিশ। দু’দিন ধরে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রোববার ও সোমবার যাতে কোন লঞ্চ ঢাকার বাইরে থেকে না আসে। বিশেষ করে সোমবার একটা লঞ্চও ঢাকায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। গতকাল সদরঘাটে আসা প্রতিটি লঞ্চের ওপর পুলিশ কড়া নজরদারি করে। যুবক শ্রেণীর যাত্রী দেখলেই তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর ফলে সদরঘাটে আতংক সৃষ্টি হয়। বরিশাল, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের পুলিশের পক্ষেও একই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। জানা গেছে, শনিবার চাঁদপুর থেকে কোন লঞ্চ ঢাকা আসতে দেয়া হয়নি। এর ফলে হাজার হাজার মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই অবস্থা আরও দুদিন থাকবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx