The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

৩০ হাজার পরিবার স্বাবলম্বী ॥ ঈশ্বরদীতে লিচু চাষ করে ৬শ কোটি টাকার মুনাফা

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি ॥ নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ঈশ্বরদীতে এবার রেকর্ড পরিমাণ লিচু উৎপাদন হয়েছে। চলতি বছরে বৈরী আবহাওয়া ও নানা প্রতিকূলতার পরও কৃষকদের নানামুখী প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয়েছে।

litchi

স্থানীয় লিচু চাষীরা জানিয়েছেন, তবে রোগবালাই ও প্রচন্ডক্ষরার কারণে লিচুর আকার ছোট হলেও এ বছর প্রায় ৬শ কোটি টাকার লিচু উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ আশা করছে। যা দেশের মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ লিচু উৎপাদনের রেকর্ড। ইতোমধ্যে লিচু চাষ করে পাবনা জেলার প্রায় ৩০ হাজার পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। লিচু চাষ ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে পাশের জেলাগুলোতেও।

পাবনা জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পাবনায় দেশী, বোম্বাই ও চীনাসহ বিভিন্ন জাতের লিচু আবাদ হয়েছে। চলতি বছর লিচু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ১০০ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২০০ হেক্টর বেশি জমিও লিচু বাগানে আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৪ হাজার ৩২০ মেট্রিকটন। গত বছর লিচু আবাদ হয়েছিল ৩ হাজার হেক্টর, উৎপাদিত হয়েছিল ২৩ হাজার ৪২১ মেট্রিকটন। গত বছরের তুলনায় এবছর ১ হাজার মেট্রিকটন বেশি লিচু উৎপাদিত হবে।

স্থানীয়রা জানান, ঈশ্বরদী ও পাবনা সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি লিচু চাষ হয়। বিশেষ করে ঈশ্বরদী উপজেলা লিচু আবাদের জন্য বেশি উপযোগী। উপজেলার জয়নগর, মীরকামারী, জগন্নাথপুর, ছলিমপুর, শাহাপুর, দিয়ার শাহাপুর, রূপপুরসহ প্রায় ৩০টি গ্রামে শুধু লিচু আর লিচু। ঈশ্বরদী এখন লিচুর রাজধানী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ ছাড়া সদর উপজেলার উগ্রগড়, জোয়ারদহ, হামিদপুরসহ প্রায় ১৫টি গ্রাম এবং চাটমোহর ও আটঘরিয়া উপজেলায় প্রচুর লিচু আবাদ হয়েছে। চায়না-২, চায়না-৩ ও বম্বাই জাতের লিচু বাজারে আসতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে। কিন্তু এর মাঝেও দেশী জাতের অনেক উন্নত মানের লিচু কেনা-বেচা চলছে।

লিচু আবাদের সঙ্গে জেলায় ২৫ হাজারের বেশি কৃষক পরিবার সংশ্লিষ্ট রয়েছে। তবে ঈশ্বরদীতেই এর সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। বিগত ২০ বছরে ওই এলাকার কৃষকরা লিচু আবাদ করে ব্যাপক লাভবান হওয়ায় প্রতিবছর কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ হেক্টর জমিতে নতুন করে লিচু আবাদের বাগান তৈরি হচ্ছে। অন্যান্য ফসলের চেয়ে সুমিষ্ট এই ফলের উৎপাদন খরচ যেমন কম, তেমনি বিক্রয় মূল্যও অনেক বেশি হওয়ায় কৃষকরা খুবই লাভবান হচ্ছে। জয়নগরের একজন চাষি জানান, উৎপাদনের সর্বমোট ২০% খরচ হয়। তাই অনেক কৃষক পরিবার স্বল্প জমিতে লিচু আবাদ করে ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যেই স্বাবলম্বী হয়েছে।

ঈশ্বরদীর যেসব অঞ্চলে এতদিন লিচুর চাষ হতো সেসব অঞ্চল ছাড়াও বেশ কিছু নতুন অঞ্চলে লিচুর আবাদ হচ্ছে। বিলকাদা ও কামালপুর এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। কামালপুরের একজন লিচু চাষী জানালেন, এখন পদ্মার ধারে যেখানে একসময় শুধুমাত্র মাস কালাইয়ের চাষ হতো সেখানে এখন গড়ে উঠেছে অনেক লিচু বাগান।

কৃষি বিভাগের তথ্য ও অভিজ্ঞ কৃষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি হেক্টরে ১২০টি লিচু গাছ থাকে। এ গাছের মধ্যে ৮০টি গাছে লিচুর সংখ্যা (উৎপাদন হয়) ৮ লাখ এবং ৪০টি প্রতি গাছে ৫ হাজার করে ২ লাখ লিচু ধরে। অর্থাৎ গড় হিসাবে প্রতি হেক্টরে ১০ লাখ করে লিচু উৎপাদন হয়।

বাজার পর্যবেক্ষণে জানা যায়, দেশী জাতের প্রতি ১০০ লিচু ১৫০ টাকা থেকে ১৭৫ টাকা এবং বোম্বাই ও চীনা লিচু ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রয় হয়ে থাকে। মৌসুম শুরম্ন থেকে শেষ পর্যনত্ম গড়ে প্রতি ১০০ লিচু ২০০ টাকারও বেশি দামে কৃষকরা বিক্রি করে। চলতি বছর লিচু আবাদ হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে। এ হিসাবে চলতি মৌসুমে পাবনা জেলায় ৬০০ কোটি টাকারও বেশি লিচু উৎপাদন হবে। আগামী জুন মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পাবনার লিচু পাওয়া যাবে।

কয়েকজন লিচু চাষি জানান, বৈরী আবহাওয়া ও গরমের কারণে এবার গাছ থেকে প্রায় ২৫ ভাগ লিচু ঝরে পড়ছে। সে কারণে ফলন একটু কম হবে। প্রতিদিন শত শত কৃষক শ্রমিক বাগান থেকে লিচু আহরণ করে বাগান থেকেই বিক্রি করছে। তারা জানান, ঈশ্বরদীর মানিকনগর, ছলিমপুর, জয়নগর, পাকশী, শিমূলতলায় প্রতিদিন বসছে বিশাল লিচুর হাট। জয়নগর শিমূলতলা ছাড়াও উপজেলার আওতাপাড়া, বাঁশেরবাদা, জয়নগর বোর্ডঘর, সাহাপুরের নতুন হাট ও দাশুড়িয়ায় পাইকারি লিচুর হাট বসছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন এসব হাট থেকে গড়ে ৬০ থেকে ৭০ ট্রাক লিচু রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে যাচ্ছে। আর কয়েক দিন পরে ঈশ্বরদী থেকে প্রতিদিন অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ ট্রাক লিচু লোড হবে। এসব ফল দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

মিরকামারী গ্রামের লিচু চাষি কেতাব উদ্দিন মন্ডল সাংবাদিকদের জানান, তিনি প্রায় ৫০ বিঘা জমিতে লিচুর বাগান করেছেন। ১০ বছর ধরে তার বাগানে লিচুর আবাদ হচ্ছে। এ বছর তিনি ৩০ বিঘা জমির বাগান থেকে প্রায় ১৮ লাখ টাকার লিচু বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন। তিনি এই এলাকায় একটি লিচু সংরক্ষণাগার এবং লিচু গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। একই গ্রামের প্রভাষক আব্দুল খালেক ১৩ বিঘা জমিতে লিচু বাগান করেছেন। এ বাগানে ১৬০টি গাছ রয়েছে। তিনি প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় করবেন। খালেক আশা করছেন আগামী বছর তার সকল গাছেই লিচু ধরলে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার লিচু বিক্রি হবে। এছাড়া লিচু বাগানে সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন সবজি, কচু, মুগডাল, হলুদ আবাদ করে প্রতি বছর প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় করবেন বলে আশা করছেন। তিনি আরো জানান, লিচু আবাদে খরচ খুবই কম।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ খুরশীদ আলম জানান, ঈশ্বরদীর লিচু সারা দেশের মধ্যে বিখ্যাত। এখানকার মাটি এতই উর্বর যে, আধুনিক পদ্ধতিতে ও পরিকল্পিতভাবে লিচু আবাদ করা হলে আগামী ৫ বছরের মধ্যে এই এলাকা থেকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার লিচু উৎপাদন সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সংরক্ষণাগারের ব্যবস্থা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ এখানে সংরক্ষণাগার না থাকায় কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এখানকার কৃষকরা একটি লিচু সংরক্ষণাগার ও গবেষণা কেন্দ্রের দাবি জানিয়ে আসছে। এলাকাবাসী মনে করে, দেশের অর্থনীতি সিজিনালি ফল লিচু যে ভূমিকা রেখে চলেছে তা ধরে রাখতে এবং এর প্রসার ঘটাতে সরকারি উদ্যোগ জরুরি।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx