The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আবিষ্কার হলো হৃদরোগের প্রাণঘাতী ‘জিন’!

ব্রিটেনে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষ পালমোনারি আর্টারিয়াল হাইপারটেনশনে (পিএএইচ) আক্রান্ত

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রোগ নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। যুগ যুগ ধরে গবেষকরা নানাভাবে গবেষণা চালিয়ে আসছেন। এবার আবিষ্কার হলো হৃদরোগের প্রাণঘাতী ‘জিন’!

আবিষ্কার হলো হৃদরোগের প্রাণঘাতী ‘জিন’! 1

ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা দাবি করে বলেছেন, তারা হৃদরোগের জন্য দায়ী ৫টি জিন চিহ্নিত করতে পেরেছেন। এই জিন আবিষ্কারের কারণে হৃদরোগ এখন অনেক আগেই সনাক্ত করা সম্ভব হবে। সেইসঙ্গে এর চিকিৎসাও সম্ভব হবে বলে মনে করছেন চিকিৎকরা।

বিবিসি বাংলার খবরে জানা যায়, ব্রিটেনে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষ পালমোনারি আর্টারিয়াল হাইপারটেনশনে (পিএএইচ) আক্রান্ত। যারা এই রোগে আক্রান্ত হন তাদের হৃদযন্ত্র হতে যে ধমনী কিংবা রক্তনালী দিয়ে রক্ত ফুসফুসে যায়, সেই ধমনী মোটা এবং শক্ত হয়ে যায়। যে কারণে হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার আশংকা থাকে। এইসব রোগিদের শতকরা ৫০ ভাগই সাধারণত ৫ বছরের মধ্যেই মারা যান।

দেখা যায়, সাধারণত যাদের হৃদযন্ত্র কিংবা ফুসফুসে অন্য সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও এই রোগটি বেশি দেখা যায়। তবে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই যে কোনো লোকেরই এই রোগ হতে পারে।

এই ধরণের রোগে আক্রান্তদের একমাত্র চিকিৎসা হলো হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা। ব্রিটেনের মতো দেশে হৃদযন্ত্র বা ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়, কারণ হলো প্রতিস্থাপন করার মতো অঙ্গের সংকট রয়েছে। অনেক সময়ই প্রতিস্থাপন করা হৃদযন্ত্র কিংবা ফুসফুস কারও কারও শরীর প্রত্যাখ্যানও করতে পারে।

ওই গবেষণা দলের একজন এবং ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক নিক মোরেল বলেছেন, এই জিনগুলোর বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করণের মাধ্যমে তারা এখন বুঝতে পেরেছেন কিভাবে এই রোগটি হয়।

অধ্যাপক নিক মোরেল বলেছেন,, “যে কারণে এখন আমরা এই রোগের সম্ভাব্য চিকিৎসায় নতুন উপায় খুঁজে পাবো বলে আশা করছি।”

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...