The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ইরানে খুঁজে পাওয়া রাজার মমি নিয়ে রহস্য

ইরানের রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে শাহর-ই রে নামক স্থানে একদল নির্মাণ কর্মী ভবন নির্মাণের জন্য মাটিতে গর্ত করতে গিয়ে এই মমিটি খুঁজে পান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে দেশটির শেষ শাহ বা রাজার পিতার মমি খুঁজে পাওয়া গেছে। ইরানে খুঁজে পাওয়া রাজার মমি নিয়ে বেশ রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

ইরানে খুঁজে পাওয়া রাজার মমি নিয়ে রহস্য 1

সংবাদ মাধ্যম বিবিসির এক খবরে বলা হয়, ইরানের রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে শাহর-ই রে নামক স্থানে একদল নির্মাণ কর্মী ভবন নির্মাণের জন্য মাটিতে গর্ত করতে গিয়ে এই মমিটি খুঁজে পান।

মমিটির ছবি বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে শেয়ার করার পর ছবি ও প্রতিবেদন থেকে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে যে, এটি শাহ রেজা পাহলভির দেহ কি না। যে এলাকায় মমি পাওয়া যায়, সেই শাহর-ই রে এলাকাতেই শাহ রেজা পাহলভির সমাধি ছিল বলে ইতিহাসের হিসাব অনুযায়ী জানা যায়।

জানা যায়, ইরানে ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপ্লবের পর বিপ্লবীরা সমাধিটি ধ্বংস করে ফেলে। তারপর তার দেহাবশেষের কোনও সন্ধান কখনও মেলেনি। ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের মধ্যদিয়ে শাহ রাজবংশের পতনের কয়েক দশক পর এই মমিটির সন্ধান পাওয়া গেলো।

জানা যায়, পাহলভির নাতি রেজা পাহলভি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসনে রয়েছেন। মমির সন্ধান পাওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্র হতে এক টুইট বার্তায় বলেছেন, দেহাবশেষটি আসলে কার, সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফরেনসিক রিপোর্ট এখনও তার কাছে পৌঁছায়নি। তথাপিও তিনি ধারণা করছেন যে, ওই মমিটি হয়তো তার পিতামহ বা দাদার।

টুইটারে এক বিবৃতিতে রেজা পাহলভি দেহাবশেষটি ইরানে যথাযথ মর্যাদায় সমাহিত করার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

রেজা পাহলভি টুইটারে আরও বলেছেন, আধুনিক ইরানের জনক নয়, বা রাজা হিসেবেও নয়। কেবলমাত্র একজন সাধারণ সেনা ও জনগণের সেবক হিসেবে রেজা শাহর সমাধি পরিচিত কোনও স্থানে চিহ্নিত করে রাখতে হবে।

তেহরানের কালচারাল হেরিটেজ কমিটির চেয়ারম্যান স্থানীয় একটি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন যে, মমিটি সাবেক নেতার দেহাবশেষ হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে মনে হচ্ছে। তবে ইরানের কিছু সংবাদ মাধ্যম তাতে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য, রেজা শাহ ছিলেন ইরানে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বস্থানীয়দের মধ্যে অন্যতম। তিনিই পাহলভি রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। সেই রাজবংশ ১৯২৫ সাল হতে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ইরান শাসন করে এসেছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ম নিয়ে সমালোচনা করা ও মানবাধিকার লঙ্ঘণের অভিযোগ উঠেছে বারংবার। রেজা শাহ দক্ষিণ আফ্রিকায় নির্বাসনে থাকার সময মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃতদেহ প্রথমে মিসরে দাফন করা হয়। পরে ইরানে এনে আবার দাফন করা হয় তার দেহ।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx