দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ভিসা (এনওয়াইএসই: ভি) বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দিয়েছে।
এই ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশজুড়ে সকল ভিসা কার্ডধারীরা আকর্ষণীয় অফার উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। রমজান, স্বাধীনতা দিবস, ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলতে গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পেইন আগামী ৩১ মে পর্যন্ত চলবে।
ক্যাম্পেইনটিতে ভিসা কার্ডধারীরা অ্যাক্টিভেট অ্যান্ড উইন, ট্যাপ অ্যান্ড উইন এবং স্পেন্ড অ্যান্ড উইন এই তিনটি ভিন্ন অফারের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
# ‘অ্যাকটিভেট অ্যান্ড উইন’ অফারটি পেতে গ্রাহকদের কমপক্ষে ৫০০ টাকার একটি লেনদেন করতে হবে। এর মাধ্যমে ১৫০ টাকার ফুডপান্ডা ভাউচার জেতার সুযোগ রয়েছে। গতবছরের ০১ জানুয়ারি থেকে এবছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যারা কোনো লেনদেন করেননি, তারাই এই অফারের জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হবেন।
# ‘ট্যাপ অ্যান্ড উইন’ অফারটি পেতে ভিসা কার্ডধারীদের কমপক্ষে ১৫টি ‘ট্যাপ অ্যান্ড পে’ লেনদেন (প্রতিটি লেনদেন ৫০০ টাকা বা তার বেশি) সম্পন্ন করতে হবে। সফলভাবে এই শর্ত পূরণ করলে ৫০০ টাকার ফুডপান্ডা ভাউচার পাওয়া যাবে।
# ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ অফারটি পেতে গ্রাহকদের ক্যাম্পেইনের সময় যত বেশি সম্ভব লেনদেন করতে হবে। সেখান থেকে শীর্ষ ১০০ খরচকারী পাবেন ১৫ হাজার টাকার ফুডপান্ডা ভাউচার।
এই বিষয়ে ভিসা বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “আমরা আমাদের কার্ডধারীদের জন্য প্রতিটি মুহূর্তকে আরও বেশি উপভোগ্য করে তুলতে চাই। সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, উৎসব এবং ঐতিহ্যে পরিপূর্ণ বাংলাদেশ; আর আমরা এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই আনন্দ কার্ডধারীদের সাথে ভাগাভাগি করে নিতে চাই। ডিজিটাল লেনদেনকে সহজ ও নিরাপদ করতে আমরা সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর এই উৎসবের মুহূর্তে বিশেষ অফার আনতে পেরে আমরাও উচ্ছ্বসিত। ফুডপান্ডার সাথে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা এই আনন্দকে আরও ছড়িয়ে দিতে চাই। রমজানের শপিং থেকে শুরু করে ঈদের প্রস্তুতি হোক বা পহেলা বৈশাখ উদযাপন, ভিসা প্রতিটি উৎসবকে আনন্দদায়ক করে তুলতে আপনাদের পাশে আছে।”
ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড ভিসা কার্ডহোল্ডাররা দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকুক না কেন, বাংলাদেশ থেকে ইস্যু হওয়া সকল ভিসা কার্ড এই অফারটির জন্য প্রযোজ্য হবেন। ‘অ্যাকটিভেট অ্যান্ড উইন’ এবং ‘ট্যাপ অ্যান্ড উইন’ অফারের ভাউচার সর্বশেষ লেনদেনের ২০ দিনের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। ‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ অফার বিজয়ীদের ক্যাম্পেইন শেষ হওয়ার ২০ দিনের মধ্যে ভাউচার ব্যবহার করতে হবে।
ডিজিটাল পেমেন্ট জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ এবং আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চায় ভিসা। আর নতুন এই ক্যাম্পেইনটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ক্যাশলেস লেনদেন এবং নির্বিঘ্ন পেমেন্ট ব্যবস্থার প্রতি ভিসার প্রতিশ্রুতিই পুনর্ব্যক্ত করে, যা ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
This post was last modified on মার্চ ১৩, ২০২৫ 12:25 অপরাহ্ন
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মোবাইল ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া বা চারপাশের নানা ঘটনার কারণে বিভ্রান্তি…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জনগণকে আধুনিক টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিপাকের গতি বাড়ানোর মূল কার্যকরী পন্থাগুলোই হলো স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া,…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম ছোটপর্দার পাশাপশি বড়পর্দায়ও বাজিমাত করেছেন এই…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, কুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলে থাকা ইউক্রেনীয় সেনারা…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চলন্ত ট্রেন হতে এক যাত্রীর হাত ধরে বাইরে ঝুলে আছেন…