The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মাহে রমজানে গর্ভবতী মায়ের জন্য কিছু পরামর্শ

রোযা এলে বিশেষ করে গর্ভবতী যারা আছেন তাদের চিন্তার শেষ থাকে না

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ যারা গর্ভবর্তী তারা রমজানের রোযা রাখবেন কিভাবে বা তারজন্য কি কি করণীয় সেই বিষয়টি জানা একান্ত দরকার। আজ রয়েছে মাহে রমজানে গর্ভবতী মায়ের জন্য কিছু পরামর্শ।

পবিত্র মাহে রমজান মাস চলছে। রোযা এলে বিশেষ করে গর্ভবতী যারা আছেন তাদের চিন্তার শেষ থাকে না। কারণ হলো অনেকেই রমজানের এই ফরজ রোযা ছাড়তে চান না। আবার তাদের শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়। যে কারণে বেশ সমস্যায় পড়েন অনেকেই। তাই গর্ভবতীদের রমজানের রোযা রাখার জন্য দরকার বাড়তি কিছু সচেতনতা। তাহলে অনায়াসে রাখতে পারবেন রোযা। বিষয়গুলো আজ জেনে নিন।

গর্ভবতী মহিলারা কী রোযা রাখতে পারবেন?

যে কেও প্রশ্ন করতে পারেন গর্ভবতী মহিলারা কী রোযা রাখতে পারবেন? এর সহজ উত্তর হলো হ্যা, অবশ্যই একজন গর্ভবতী মহিলা রোযা রাখতে পারবেন।

এই বিষয়টি সবার মধ্যে দেখা যায়, আর তা হলো বেশিরভাগ সময় তারা ভীত থাকেন রোযা রাখলে তার সন্তানের কোনো ক্ষতি হবে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু না, রোযা রাখার জন্য তার অনাগত সন্তানের কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তবে যেসব গর্ভবতী মায়ের বা সন্তানের জীবনের ঝুঁকি বা কোনো বড় ধরনের সমস্যা থাকলে ভিন্ন কথা। তখন চিকিৎসকই নির্ধারণ করে দিবেন বিষয়টি। তাছাড়া যারা স্বাভাবিক অবস্থায় আছেন তাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। কারণ হলো গর্ভাবস্থায় শারীরিক ও মানুষিক ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। তবে রোযা রেখে ইবাদতের মাধ্যমে আপনি এগিয়ে যেতে পারেন অনেকখানি।

রোযা অবস্থায় গর্ভবতী মায়ের করণীয় কী?

বর্তমানে বেশ গরম পড়ছে। শরীর হতে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। রোযা রাখলে অনেক সময় ধরে না খেয়ে থাকতে হয়। ইফতার হতে সেহরি পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। খাবার স্যালাইন খেতে পারলে আরও ভালো হয়। ইফতারের প্যাকেট এর কোনো জুস না খেয়ে বরং লেবুর শরবত বা ঘরে বানানো পানীয় পান করাই অনেক ভালো। সারাদিন রোযা রাখার পর আমরা এক সঙ্গে প্রচুর খাবার খেয়ে ফেলি, কিন্তু গর্ভবতী মা করতে পারবেন না। সহজে হজম হবে এমন খাবার খাওয়াই ভালো। রমজানে ভাজা পোড়া খাবার হতে দূরে থাকায় হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ এতেকরে এসিডিটির সমস্যা হতে পারে। সেহরিতে কলা ও প্রচুর শাকসবজি খেয়ে নিলে মায়েরা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে রেহাই পেতে পারেন। গর্ভাবস্থায় ৮ঘন্টা ঘুম ও ২ঘন্টা বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। গর্ভাবস্থায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়তে না পারলে বসেই নামাজ পড়ুন। এই অবস্থাতে সন্তানের নড়াচড়া অনুভব করুন। নিয়মিত প্রসূতিকালীন সেবাও গ্রহণ করুন।

একটি বিষয় হলো মহান রাব্বুল আলামিনের ইবাদাতের মাস রমজান। মানসিক বল ও শারীরিক সক্ষমতা থাকলেই রোযা আপনার জন্য ভালো একটি বিষয়।

তথ্যসূত্র: ডক্টোরোলা ডট কম (www.doctorola.com)।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...