দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পালিয়ে বিয়ে করতে চাইলে পুলিশ সাহায্য করবে! এমন একটি খবর দেখে বিবাহযোগ্য যুবকরা বেশ খুশি হয়ে যাবেন। তবে এটি বাংলাদেশে নয়, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে!
পালিয়ে বিয়ে করতে চাইলে পুলিশ সাহায্য করবে! এমন একটি খবর দেখে বিবাহযোগ্য ব্যক্তিরা বেশ খুশি হয়ে যাবেন। তবে এটি বাংলাদেশে নয়, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে!
সংবাদ মাধ্যমগুলোতে এমন একটি খবর প্রায় ভাইরাল। কারণ হলো এমন কথা শোনার পর অনেকেই আগ্রহ নিয়ে পড়ছেন খবরটি। কারণ আমরা জানি পালিয়ে বিয়ে করলে পুলিশ আরও তাড়া করে। কিন্তু এবার শোনা গেলো এর ঠিক উল্টো কথা! পারিবারিক আপত্তিসহ নানা কারণে যারা বাড়ি হতে পালিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য হন পুলিশ এখন থেকে তাদের পাশে দাঁড়াবে। সম্প্রতি এমনই জানানো হয়েছে ভারতের রাজস্থান পুলিশ বিভাগের পক্ষ হতে।
সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে জানা যায়, পারিবারিক আপত্তির কারণে বাড়ি হতে পালিয়ে বিয়ে করতে হয় যে সব জুটিকে, তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রাজস্থান সরকারের পুলিশ দফতর।
খবরে বলা হয়েছে, পলাতক দম্পতিদের জন্য ‘শেল্টার হোম’ তৈরির কথাও ভাবছে ভারতের রাজস্থান পুলিশ। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সক্ষাৎকারে এই কথা জানিয়েছেন সেখানকার অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ জঙ্গা শ্রীনিবাস রাও। তিনি জানিয়েছেন যে, পলাতক দম্পতিরা যাতে কোনো বিপদে না পড়ে, সে কারণেই এমন একটি এই ‘শেল্টার হোম’ বানানোর চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।
ওই পুলিশের বড় কর্তা আরও জানান, রাজ্য পুলিশের সদর দফতর হতে সব জেলার পুলিশ সদস্যদের জানানো হয়েছে যে, রাজ্যের যে কোনো প্রান্তে এমন সমস্যায় পড়া সদ্যবিবাহিতদের যেনো সর্বত্তোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করা হয়। রাজস্থান হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক পলাতক দম্পতিদের জীবনের সুরক্ষা দেওয়া তাদের একান্ত কর্তব্য।
ওই পুলিশ কর্তা আরও বলেন, পলাতকদের সাহায্যের জন্য রাজ্যের সব পুলিশ রেঞ্জ এবং জেলায় সিনিয়র স্তরের মহিলা পুলিশ অফিসার নিয়োজিত রাখা হবে।
উল্লেখ্য, এই শেল্টার হোম এবং অন্যান্য পদক্ষেপের কারণে রাজ্যে ক্রমবর্ধমান অনার কিলিং বন্ধ করার সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করছে রাজস্থান পুলিশ।