The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ডেঙ্গু কমাবে ‘মশাভুক মাছ’!

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চারিদিকে যখন ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক তখন নতুন এক ভালো খবর হলো এবার পাওয়া গেছে এক মশাভুক মাছ। এই মাছ এডিস মশা খেয়ে ফেলবে!

ডেঙ্গু কমাবে ‘মশাভুক মাছ’! 1

চারিদিকে যখন ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক তখন নতুন এক ভালো খবর হলো এবার পাওয়া গেছে এক মশাভুক মাছ। এই মাছ এডিস মশা খেয়ে ফেলবে!

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ড্রেনে প্রায় ৮ হাজার মসকিউটো ফিশ (যাকে বলা হয় মশাভুক মাছ) অবমুক্ত করা হয়।

গত মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে এর পাশের ড্রেনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভিসি অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান। পরবর্তীতে পুরো ক্যাম্পাসের ড্রেনেই এই মাছটি অবমুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়। তাছাড়া ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটুর নেতৃত্বে শহরের ড্রেনে এই মাছ ছাড়া হবে বলেও জানা গেছে।

গবেষক দলের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. হারুনুর রশীদ এই মাছ সম্পর্কে জানান, ২০১৭ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চট্টগ্রামের কিছু ড্রেনে মশার ডিম ভক্ষণে কয়েকটি মাছের দক্ষতা নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়। গবেষণায় দেখা যায় যে, মশার লার্ভা ভক্ষণে দেশীয় খলিশা, দারকিনা, জেব্রা ফিশ মশাভুক মাছের থেকেও বেশি উপযোগী হলেও এরা নর্দমার নোংরা পানিতে বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে না। তাই নর্দমার পানিতে মশার লার্ভা নিধনে মশাভুক মাছ সবথেকে বেশি উপযোগী মাছ। এই মাছ প্রায় ১০ বছর পূর্বে আমেরিকা হতে অ্যাকুরিয়াম মাছ হিসেবে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। পরে দেশের বিভিন্ন মুক্ত জলাশয় ও ড্রেনে এই মাছ ছড়িয়ে পড়ে।

যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস করতে বাকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের পাশের ড্রেনে প্রায় ৭ হতে ৮ হাজার মশাভুক মাছ অবমুক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান বলেন, ‘দেশে ডেঙ্গুর এই মারাত্মক পরিস্থিতিতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে মশা নিধনের নতুন নতুন প্রযুক্তি আমাদেরকে প্রয়োগ করতে হবে। তেমনি আরেকটি বিষয় হলো, মশা নিধনের বায়োলজিক্যাল পদ্ধতি হলো মাছ দিয়ে মশার লার্ভাকে ভক্ষণ করানো। তাই দেশের সকল বদ্ধ পানিতে ওই মাছ ছাড়া হলে এই দুর্যোগ অনেকটাই মোকাবিলা সম্ভব হবে।’

Loading...