The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

চায়ের সঙ্গে এবার কাপও খাওয়া যাবে!

ভারতের হায়দরাবাদের একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কোন আইসক্রীম যেমন আইসক্রীমের সঙ্গে সঙ্গে কাপও খেয়ে ফেলা যায়। ঠিক তেমনই এবার চায়ের সঙ্গে চায়ের কাপও খাওয়া যাবে! ভারতের একটি কোম্পানি পরিবেশের কথা চিন্তা করে এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যা সকলের কাছেই প্রশংসার দাবি রাখে। এমন উদ্যোগের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষভাবে উপকারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এভাবে সকলেই যদি এগিয়ে আসেন তাহলে বিশ্ব এক স্বাস্থ্যকর নতুন বিশ্বে রূপ নেবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

চায়ের সঙ্গে এবার কাপও খাওয়া যাবে! 1

কোন আইসক্রীম যেমন আইসক্রীমের সঙ্গে সঙ্গে কাপও খেয়ে ফেলা যায়। ঠিক তেমনই এবার চায়ের সঙ্গে চায়ের কাপও খাওয়া যাবে! ভারতের একটি কোম্পানি পরিবেশের কথা চিন্তা করে এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যা সকলের কাছেই প্রশংসার দাবি রাখে। এমন উদ্যোগের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষভাবে উপকারে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এভাবে সকলেই যদি এগিয়ে আসেন তাহলে বিশ্ব এক স্বাস্থ্যকর নতুন বিশ্বে রূপ নেবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

বিশ্বব্যাপী পরিবেশবাদী আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিত্যনতুন উপায় খুঁজে বের করার জন্য এখন উদগ্রীব হয়ে পড়েছেন সবাই। সকলের লক্ষ্য একটাই, আর তা হলো পরিবেশদূষণ ঠেকানো। সেই রকমই এক উদ্যোগ নিয়েছে একটি সংস্থা। তারা তৈরি করেছে এমন একটি চায়ের কাপ, যা একেবারে চায়ের সঙ্গে খেয়ে ফেলা যাবে। এমন অভিনব জিনিস তৈরি করে সংস্থাটি সকলকে রীতিমতো চমকে দিয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, ভারতের হায়দরাবাদের একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই তৈরি করা হয়েছে এ বিশেষ ধরনের কাপটি। এই কাপের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইট কাপ’। আসলে ব্যাপারটা এমন যে, এই কাপে চা তো থাকবেই, সেই সঙ্গে চা পান করার পর আপনি কাপটিও চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে পারবেন। এমনকি যে কোনো ঠাণ্ডা কিংবা গরম পানীয় খাওয়া যাবে সেই কাপে করে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্যই সংস্থাটি এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক অশোক কুমার।

এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে অশোক কুমার জানান, প্লাস্টিক বা পেপার কাপের বিকল্প হিসেবে তারা এই পণ্যটি তৈরি করেছেন।

এই উদ্যোগের ফলে গাছ কাটার পরিমাণ অনেকাংশে কমে যাবে, সেই সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়বে না বলে মনে করা হচ্ছে।

Loading...