The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

স্বাধীনতা চান না নিউ ক্যালিডোনিয়ানরা

গণভোটে ৫৩ শতাংশের বেশি মানুষ ফ্রান্সের অধীনেই থাকা পছন্দ করলেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করলেও ফ্রান্সের অধীনেই থাকতে চান নিউ ক্যালিডোনিয়াবাসীরা। ফ্রান্সের অধীনে থাকা এই দ্বীপপুঞ্জের মানুষ গণভোটে স্বাধীনতার বিপক্ষেই মত দিয়েছেন!

স্বাধীনতা চান না নিউ ক্যালিডোনিয়ানরা 1

বিগত ১৭০ বছর ধরে নিউ ক্যালিডোনিয়া ফ্রান্সের অধীনেই রয়েছেন। দক্ষিণ প্রশান্তমহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের মানুষ ঠিক সেভাবেই থাকতে চান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ যখন বরাবর বিদেশী শক্তির অধীনতা থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘ সংগ্রাম করে আসছে, কখনও কখনও আবার সশস্ত্র লড়াইও করছে, স্বাধীনতা চেয়েছে- সেখানে নিউ ক্যালিডোনিয়া উল্টো পথে হাঁটলো। যদিও ফ্রান্সের অধীনতা থেকে মুক্তির জন্য এখানকার আদিবাসিন্দা কানাক সম্প্রদায়ের মানুষরাও রীতিমতো লড়াই করে আসছেন। তবে গণভোটে ৫৩ শতাংশের বেশি মানুষ ফ্রান্সের অধীনেই থাকা পছন্দ করলেন।

ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, এই দ্বীপপুঞ্জে রয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ। তার মধ্যে ৮৫ শতাংশ মানুষ গণভোটেঅংশ নিতে চেয়ে নাম নথিভুক্ত করেন।

কানাক সম্প্রদায়ের মানুষদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ হলো, তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়। মূলত তারাই স্বাধীনতাপন্থী। তবে যে ইউরোপীয়রা এখানে এসে থেকে গিয়েছেন, তাদের বংশধররা স্বাধীনতার একেবারেই বিপক্ষে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ এই গণভোটের ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন। ভোটের আগেই তিনি বলেছিলেন যে, নিউ ক্যালিডোনিয়া চলে গেলে ফ্রান্সের সৌন্দর্য কমে আসবে। মাক্রোঁ বলেছেন যে, ”ভোটদাতারা তাদের রায় দিয়ে দিয়েছেন। তারা ফ্রান্সের সঙ্গেই থাকতে চান। দেশের প্রধান হিসাবে আমি তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমি তাদের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।”

এই গণভোটে স্বাধীনতার দাবি খারিজ হয়ে গেলেও একটা উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। স্বাধীনতাকামীদের সংখ্যা আরও বেড়েছে। এটি হলো স্বাধীনতার দাবিতে দ্বিতীয় গণভোট। এর আগেও এই দাবি খারিজ করা হয়েছিল। তবে তার তুলনায় এবার অনেক বেশি মানুষ স্বাধীনতার পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। অস্ট্রিয়া এবং ফিজির মধ্যে থাকা এই দ্বীপপুঞ্জে ২০২২ সালে আবারও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ১৮৫৩ সালে নেপোলিয়ান থ্রি এই দ্বীপপুঞ্জ অধিকার করেছিলেন। তারপর সেখানেই বন্দিদের পাঠানো হতো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৫৭ সালে কানাকদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। বেশ কিছুটা স্বশাসনও তারা উপভোগ করেন। তবে আর্থিক দিক হতে তারা ফ্রান্সের দেওয়া ১৩০ কোটি ইউরোর উপরই নির্ভরশীল।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...