The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

প্রতিবছর চিনি খেয়ে মারা যান সাড়ে ৩ কোটি মানুষ!

সংক্রামক রোগে যতো মানুষ আক্রান্ত হন, তার চেয়েও ঢের বেশি মানুষ অসুস্থ হন এই চিনির বিষক্রিয়ায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুনতে আশ্চর্য মনে হলেও সত্যি। প্রতিবছর চিনি খেয়ে মারা যান সাড়ে ৩ কোটি মানুষ! তাহলে ওই চিনি থেকে আমাদের এখনই দূরে থাকতে হবে।

প্রতিবছর চিনি খেয়ে মারা যান সাড়ে ৩ কোটি মানুষ! 1

নেচার পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, কেবলমাত্র অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার কারণে নানা রোগে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ মারা যান। সংক্রামক রোগে যতো মানুষ আক্রান্ত হন, তার চেয়েও ঢের বেশি মানুষ অসুস্থ হন এই চিনির বিষক্রিয়ায়।

চিনি খেলেই ওজন বাড়ে। ডায়াবেটিস থাকলে বাড়ে তার প্রকোপও। তাছাড়াও মাত্রার চেয়ে বেশি চিনি খেলে হার্ট ও লিভার চরমভাবে জখম হয়, হরমোনের মাত্রাও ওঠা-নামা করে, কোলেস্টেরল-ট্রাইগ্লিসারাইডও বাড়ে, সেইসঙ্গে বাড়ে কিছু ক্যান্সারের আশঙ্কা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী জানা যায়, স্বাভাবিক অবস্থায় পুরুষদের দিনে ৯ চামচ এবং মহিলাদের ৬ চামচের বেশি চিনি খাওয়া নিষেধ। আমেরিকান সরকারের ডায়াটেরি গাইড লাইন অনুযায়ী দিনে যতো ক্যালোরি আমরা খেয়ে থাকি তার ১০-১৫ শতাংশের কম আসা উচিত চিনি হতে। তবে বিভিন্ন সমীক্ষা হতে জানা যায়, এই মাত্রা খুব কম মানুষই মেনে থাকেন। ১০–১৫ শতাংশ তো দূরের কথা, কখনও কখনও তা ২৫ শতাংশও ছাড়িয়ে যায়।

হরমোন চিকিৎসকদের মতে ওজন বাড়লে, ডায়াবেটিস-রক্তচাপ মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে, হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়লে বাড়ে কোভিডের আশঙ্কা এবং জটিলতাও। এমনিতেও বেশি মিষ্টি খেলে শরীরের প্রদাহের প্রবণতা বেড়ে কোভিডের আশঙ্কা এবং প্রকোপও বাড়তে পারে। কাজেই কোভিডের এই সময় চিনি খাওয়া যথাসম্ভব কমানো দরকার।

প্রসেসড খাবারেও থাকে প্রচুর পরিমাণ চিনি, তা সে খেতে মিষ্টি হোক কিংবা না হোক। যেমন, কর্নফ্লেক্স পাউরুটি, বিস্কুট, মেয়োনিজ এবং অন্যান্য স্যালাড ড্রেসিংসহ ইত্যাদি। প্যাকেটের ফলের রস, বিয়ার, সস, কেচাপ, ক্যান্ডি, নরম পানীয় ইত্যাদিরও একই হাল।

খাওয়ার পর অনেকেরই একটু মিষ্টি না খেলে মনই ভরে না। তাই বলে কখনও কৃত্রিম চিনি নয়, খেতে হবে প্রাকৃতিক চিনি। আপনাকে মনে রাখতে হবে, চিনির বদলে কৃত্রিম চিনি কিংবা অ্যাসপারটেম কখনও খাবেন না। কারণ তাতে ওজন যে কমবেই, এমন নিশ্চয়তা একেবারেই নেই। বিভিন্ন সমীক্ষায় বরং এর উল্টোটাই প্রমাণিত হয়ে আসছে সব সময়। এর পাশাপাশি মাইগ্রেন, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, গা– বমি বমি ভাব, ঘুমের সমস্যা হওয়া, পেট ব্যথা করা, শরীরের বিভিন্ন সন্ধিতে ব্যথা অনুভব করা, মানসিক অবসাদ, এমনকি মস্তিষ্কের ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়তে পারে। অর্থাৎ চিনির চেয়েও সেটি বেশি ক্ষতিকর।

তাহলে আপনাকে খেতে হবে ভিটামিন-মিনারেলে ঠাসা প্রাকৃতিক চিনি। যেমন- গুড়, আখের রস, নারিকেল চিনি, খেজুর, কিসমিস কিংবা অন্য শুকনো বা টাটকা ফলমূল। তবে ক্যালোরি বেশি বলে মাত্রা রেখে খেতে হবে।

ভাবছেন গুড় বা আখের রস খাওয়া গেলে চিনি কেনো খাওয়া যাবে না? চিনিরও তো মূল উৎসই হলো সেই আখ? এটি ঠিক কথা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আখের রস থেকেই চিনি বানানো হয়ে থাকে। তবে বানানোর সময় এমন সব পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে বানানো হয়, যাতে একদিকে তার গুণ একেবারেই শেষ হয়ে যায়, অপরদিকে সালফার ডাই-অক্সাইড নামের এক ক্ষতিকর রাসায়নিক এতে মেশানো হয়ে থাকে। এর প্রভাবেই বাড়তে পারে শ্বাসকষ্টের প্রকোপ।

আন্তর্জাতিক হিসেব অনুযায়ী দেখা যায়, চিনিতে সালফার ডাই-অক্সাইডের মাত্রা যা থাকার কথা, এ দেশে থাকে তার প্রায় ৭ গুণেরও অনেক বেশি। অতএব লাগাম টানুন চিনি খাওয়ার ক্ষেত্রে। সতর্ক হোন, না হলে রেহাই পাবেন না।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx