The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

রাজমিস্ত্রি আবিষ্কার করলেন আকাশের তারা দেখার অভিনব ঘড়ি!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার মোচনা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি ওসমান খান আকাশের তারা নির্ণয়ের ঘড়ি আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন!

রাজমিস্ত্রি আবিষ্কার করলেন আকাশের তারা দেখার অভিনব ঘড়ি! 1

এই অভিনব ঘড়িটি তৈরি করতে তার সময় লেগেছে প্রায় ১১ বছরের মতো। নিজ বাড়িতে একটি ছোট্ট কক্ষে গবেষণাগার বানিয়ে রাত-দিন চেষ্টার পর এই অভিনব ঘড়িটি উদ্ভাবন করেন ওই রাজমিস্ত্রি ওসমান খান আকাশ।

ওসমান খান তার ঘড়ি আবিষ্কারের বিষয়টি দেশবাসীকে জানানো এবং বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই ঘড়িটির মাধ্যমে ঘরে বসেই আকাশে তারা কোন সময় উঠবে তার সময়, তারা নির্ণয়, দিনের বেলাতে ওইসব তারাগুলো কোথায় অবস্থান করছে, দিনে চাঁদের অবস্থানও জানা যাবে!

জানা যায়, নব্য আবিষ্কারক ওসমান খান উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের মো. আওলাদ খানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। অভাবের তাড়নায় ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্তই তার লেখাপড়ার সমাপ্তি ঘটে।

ওসমান খান সংবাদ মাধ্যমকে এই বিষয়ে বলেছেন, আমি প্রায় ১১ বছর গবেষণা করে একটি ঘড়িটি উদ্ভাবন করেছি, আমাদের পৃথিবীতে দিন-রাত মিলিয়ে যে তারাগুলো আকাশে ওঠে, সেই তারা আগেই নির্ণয় করা যাবে এই ঘড়ির মাধ্যমে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বর্তমান এবং ভবিষ্যতে যে তারাগুলো আকাশে উঠবে, সেটিও এই ঘড়ির মাধ্যমে নির্ণয় করা সম্ভব হবে। এ ছাড়াও আগামী বছর এই দিনে এই সময় অন্যান্য গ্রহ কোন কোন অবস্থায় থাকতে পারে, সেই সিগন্যালও দিয়ে দেবে এই ঘড়িটি। ঘড়িটি তৈরি করতে তার ৪৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, ২৪টি কাটাসহ বছর, মাস, সপ্তাহ, দিন সময়- সব কিছুই এখানে নির্ধারণ করা হয়েছে। অ্যানালগ হিসেবে এই ঘড়িটি ব্যবহার করতে হয়। এটিকে ডিজিটাল রূপে নিতে হলে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার যদি আমার নির্ণয়ের ঘড়িটি নিয়ে গবেষণা করতো এবং সঠিক ফল পাওয়া যেতো, তাহলে এটি বাণিজ্যিকভাবেও বিক্রয় করা সম্ভব হতো।

এই গবেষণার বিষয়ে স্থানীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছাত্র সোয়ান মাহমুদ এবং রাজীব বলেছেন, ওসমান খান দীর্ঘদিন গবেষণা করে এই ঘড়িটি আবিষ্কার করেছেন। আমরা প্রাথমিকভাবে আকাশের তারার সঙ্গে মিল করেও দেখেছি, তাতে বুঝতে পারি আকাশে যে সময় তারা ওঠে, ঠিক তখন ওই ঘড়ির তারাগুলোওভাবে একই দেখা যায়।

মুকসুদপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জোবায়ের রহমান রাশেদ সংবাদ মাধ্যমকে এই বিষয়ে বলেছেন, এই বিষয়ে আমাকে কয়েকজন অবশ্য জানিয়েছেন; তবে বিষয়টি সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। আমি ঘড়িটি দেখে এবং জেনে কি করা যায় দেখবো।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...